এস.এম ফজলুল হক,হাটহাজারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদল

প্রকাশ:| বুধবার, ৩০ অক্টোবর , ২০১৩ সময় ০৯:০২ অপরাহ্ণ

শিশু নুসরাতকে দেখতে গেলেন এস.এম ফজলুল হকশিশু নুসরাতকে দেখতে গেলেন এস.এম ফজলুল হকদেশব্যাপী ১৮ দলের আহুত ৩ দিনের হরতালের ২য় দিনে হাটহাজারীতে সর্বাত্মক হরতাল চলাকালে উপজেলা ও পৌর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ চলাকালে আওয়ামী লীগ-যুব ছাত্রলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীসহ পুলিশ বাহিনী অতর্কিত হামলা করলে বিএনপি যুবদল ছাত্রদল স্বেচ্ছাসেবক দলের অসংখ্য নেতা-কমীর্ আহত হয়। এসময় পুলিশের টিয়ারসেল ও রাবার বুলেটে হাটহাজারীতে চিকিৎসা নিতে আসা পথচারী মায়ের কোলে থাকা ২ বছরের শিশু নুসরাতসহ তার মা ও চাচী গুরুত্বর আহত হয়। ৩য় দিনে হরতাল পালন ও হাটহাজারীর বিভিন্ন স্থানে পথ সমাবেশ শেষ করে বিকেল ৫টায় বিএনপি’র কেন্দ্রীয় উপ-কোষাধ্যক্ষ এস.এম ফজলুল হক আহত চিকিৎসাধীন নুসরাতকে দেখতে যান এবং তার চিকিৎসা সম্পর্কে অবহিত হন ও খিচু সময় অতিবাহিত করেন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ভাইস-চেয়ারম্যান মাহাবুবুল আলম চৌধুরী, বিএনপি নেতা মোহাম্মদ ইউসুফ, মুহম্মদ মীর কাশেম, এম.খায়রুন্নবী, হায়াত দৌলত, আব্দুস শুক্কুর মেম্বার, শফিউল জামান, এ.কে.এম আজিজ আহমেদ, নজরুল ইসলাম সিকদার, আলহাজ্ব ইউসুফ খান, খোরশেদ আলম চৌধুরী মেম্বার, আবুল হাশেম চৌধুরী, শহীদুল্লাহ মিন্টু, এম.ইলিয়াছ আলী, গিয়াস উদ্দিন চেয়ারম্যান, সৈয়দ সরওয়ার,অহিদুল আলম, এম. ছালাম, মোহাম্মদ হারুন, শাহ আলম চৌধুরী, এস.এম মহিউদ্দিন, মির্জা সাহেদ,ছাত্রনেতা আকবর আলী, রেজাউল করিম বাবু, আবুল মনসুর, কাজী এরশাদ উদ্দিন, মিঠু,জনি খোরশেদ মেহের, রাইহান উদ্দিন ও প্রমুখ।
এসময় এস.এম ফজলুল হক বলেন-গণতন্ত্র ও রাজনীতির স্বাধীনতাকামী মানুষের মৌলিক অধিকার,এ অধিকার কোন শাসক হরণ করতে পারে না। গনতন্ত্র ও ভোটের অধিকার নিশ্চিত করার জন্যে ১৮ দলের আন্দোলন। আন্দোলন দমানোর হীন চেষ্টায় হাটহাজারীর রাজপথে পুলিশ ও সরকার দলীয় সশস্ত্রবাহিনী বর্বরোচিত হামলা করে আন্দোলনের ইতিহাসে যে ঘৃনতম কাজ করেছে তার নিন্দা জানানোর ভাষা নেই। শাসকদলের ন্যাক্কারজনক হামলা থেকে শিশু পর্যন্ত মায়ের কোলে নিরাপদ থাকতে পারে নাই। হাটহাজারীবাসী এ নিন্দনীয় ও দুঃখজনক ঘটনার দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে প্র¯ত্তত রয়েছে।

বিএনপি নেতাকর্মীর উপর হামলা স্বৈরাচারের বহিঃপ্রকাশ

বিএনপি নেতাকর্মীর উপর হামলা স্বৈরাচারের বহিঃপ্রকাশ

হাটহাজারীতে উপজেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক মো.গিয়াস উদ্দিনের উপর হামালার প্রতিবাদে মিছিল ও সমাবেশে বক্তারা বলেছেন, আওয়ামী সরকারের পতন অসন্ন। তারা পুলিশ ও তাদের দলীয় ক্যাডারদের সাহায্যে এ দেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম করছে তা স্বৈরাচারের বহিপ্রকাশ। সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করে সরকার দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ নষ্ট করেছে এবং জনগণের মৌলিক চেতনা ও অধিকারের উপর চরম আঘাত করেছে। জনবিচ্ছিন্ন বলেই সরকার গনতন্ত্র ও নিরপেক্ষ নির্বাচন তারা চায়না,ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে আওয়ামীলীগ অধীনে দলবাজির যে নির্বাচনের ষড়যন্ত্র করছে জনগনের ভোট ও গনতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করতে ঐক্যবদ্ধভাবে এ সরকারকে বিদায় করতে হবে। যেখানে বাধা সেখানে প্রতিরোধ, রক্ত দিয়ে হলেও দেশের গনতন্ত্র রক্ষা করব। সরকার রাষ্ট্রীয় প্রশাসনকে দলীয় কাজে ব্যবহার করে বিরোদী দলের ন্যায়-সঙ্গত আন্দোলন দমানোর স্বপ্ন দেখছে। প্রতিবাদে জনতা রাজপথে নেমে আসলে কোন শক্তি নেই সরকারকে রক্ষা করবে। এখনো সময় আছে নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্দলীয় সরকারের ঘোষনা দিয়ে নির্বাচনে জনগনের ভোট দেয়ার সুযোগ করে দেবে সরকার। বক্তারা ২৮ অক্টোবর উপজেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক মো.গিয়াস উদ্দিন, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীর উপর হামলার প্রতিবাদ জানান। বুধবার হাটহাজারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত সভায় বক্তারা উল্লেখিত অভিমত ব্যক্ত করেন।
সংগঠনের আহ্বায়ক খোরশেদ মেহেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উত্তর জেলা ছাত্রদলের সদস্য রেজাউল করিম বাবু। প্রধান বক্তা ছিলেন উত্তর জেলা ছাত্রদলের সদস্য ফোরকান চৌধুরী। মো.রায়হান উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাহেদ,মাসুদ,জিয়াউদ্দিন মিজান,ইকবাল সাদী,নুরুল আমিন,ফরহাদ,সাজ্জাদ,ফারুক,বাবু,জিসান,জাকের,ইমন,রাকিব,শিবু প্রমুখ। সভা শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে কলেজ প্রাঙ্গনে এসে শেষ হয়।
এদিকে ছাত্রদলনেতা মো.গিয়াস উদ্দিনের উপর হামলার প্রতিবাদে মির্জাপুর ছাত্রদল,ধলই ছাত্রদল ও ফরহাদাবাদ ছাত্রদলের কর্মীরা স্ব স্ব ইউনিয়নে মিছিল ও সমাবেশ করে।