‘শিশুদের বাস যোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলুন’

প্রকাশ:| সোমবার, ৪ এপ্রিল , ২০১৬ সময় ০৮:২৮ অপরাহ্ণ

৩১ মার্চ

শিশুদের জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলুন। পৃথিবীতে শিশুরা নক্ষত্রের মত। নক্ষত্রের আলো ছাড়া যেমন পৃথিবী অন্ধকার। তেমনি শিশুদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে না পারলে জাতি অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে। তাই তাদের প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। এক্ষেত্রে অভিভাবক, শিক্ষকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। শিশুদের আলোকিত মানুষ হিসেবে শিশুদের গড়ে তুলতে পারলেই বাংলাদেশ বিশ্ব প্রতিযোগীতায় ঠিকে থাকতে পারবে। শিশুদের কাছে স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে হবে। রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পোমরা হিলাগাজী পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন, বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও গুণিজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট সমাজ বিজ্ঞানী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ড. মনজুর-উল আমিন চৌধুরী প্রধান বক্তার বক্তেব্যে একথা বলেন। ইতিহাস গবেষক, সাহিত্যিক ও ভাষাবিদ ড. মুহাম্মদ আমিন প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। অর্থনৈতিক স্বাধীনতার জন্য শিক্ষিত সমাজ নির্মাণ জরুরী।

আজকের শিশুদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে পারলেই অর্থনৈতিক মুক্তি তরান্বিত হবে। বর্তমান সরকার সে লক্ষেই শিক্ষার প্রসারে ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল হাসেম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও এ্যাডভোকেট হাসান মাহমুদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা রাঙ্গুনিয়া উপজেলা সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ জহুরুল আনোয়ার, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাইদা সিদ্দিকা, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা রঞ্জন ভট্টাচার্য, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ইদ্রিছ আলম, সৈয়দা সেলিমা কাদের চৌধুরী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ছদরুল আলম বাবলু, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কুতুব উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আকতার হোসেন খাঁন, বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক সৈয়দ সাবের আহমদ, বর্তমান প্রধান শিক্ষক বিপ্লবী চৌধুরী, কাতার প্রবাসী যুব পরিষদ সভাপতি মো. শফিউল আলম, রাজনীতিবিদ ওয়াহিদুল কবির চৌধুরী, বদিউল আলম মাষ্টার, মাষ্টার লিটন বড়–য়া প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জাতির সূর্য সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন (মরণোত্তর), শিক্ষাবিদ ও সাবেক চেয়ারম্যান কোব্বাদ চৌধুরী (মরণোত্তর), আবদুল মবিন চৌধুরী (মরণোত্তর), ডা. আব্বাস উদ্দিন (মরণোত্তর), মাওলানা মো. ইউনুছ আল মাইজভান্ডারী (মরণোত্তর), আল্লামা গাজী মফজল আহমদ নঈমী (মরণোত্তর), পরিমল চন্দ্র বড়–য়া (মরণোত্তর), আব্দুল ওয়াহাব মিয়াজী (মরণোত্তর), মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সালেহ আহমদ (মরণোত্তর), রস হরি নাথ (মরণোত্তর), প্রকৌশলী আহমদ শফি, এডভোকেট হাসান মাহমুদ চৌধুরী, সাংবাদিক মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম ও আবদুল হান্নানকে গুণী সম্মাননা ও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।