‘‘শিশুদের গড়ে তুলতে শিক্ষক-অভিভাবকের মনোযোগ দেয়া নৈতিক দায়িত্ব’’

প্রকাশ:| রবিবার, ২০ ডিসেম্বর , ২০১৫ সময় ০৭:৫৬ অপরাহ্ণ

নৈতিক দায়িত্ব

শিক্ষা ও শিশু সাহিত্য বিষয়ক পত্রিকা মাসিক শিক্ষা অন্বেষা’র ১১তম বর্ষপূর্তিতে শিক্ষা অন্বেষা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১৮ ডিসেম্বর নগরীর মুসলিম হলে অনুষ্ঠিত শিশুমেলায় প্রথম পর্বে বিকাল ৩:১৫ টায় শুরু হয় শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। এতে রাঙ্গুনীয়া, হাটহাজারী ও মহানগরীর বিভিন্ন বিদ্যালয়ের দুই শতাধিক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে। ৩.৩০ টায় বোধন আবৃত্তি স্কুলে ক্ষুদে শিল্পীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

দ্বিতীয় পর্বে বিকাল ৪:৩০ মিনিটে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় গুণী শিক্ষক-শিক্ষানুরাগী সংবর্ধনা ও মেধাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান। এতে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা অন্বেষা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ইসহাক চৌধুরী, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর মুহাম্মদ সিকান্দার খান বলেন, বড় যদি হতে হয়, অজুহাত বাদ দিয়ে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে দুই হাত প্রসারিত করে এগিয়ে যেতে হবে আজকের শিশু-কিশোরদের। আর শিশু-কিশোরদের গড়ে তুলতে শিক্ষকদের পাশাপাশি প্রত্যেক অভিভাবককে তার সন্তানের প্রতি মনোযোগ দেয়া নৈতিক দায়িত্ব। প্রধান আলোচক ছিলেন কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ফাউন্ডার মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান বলেন, আজকের শিশুরাই আগামীদের ভবিষ্যৎ তাদেরকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে অভিভাবক ও শিক্ষকদের ভূমিকা অতিব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও চবি সিনেট সদস্য ড. মোঃ রেজাউল কবির, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী ড. মাহমুদ হাসান, রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন শিক্ষা অন্বেষা সম্পাদক ও ফাউন্ডেশনের নির্বাহি পরিচালক মো. জসীম উদ্দিন চৌধুরী, স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিশু মেলা-২০১৫ উদ্যাপন পরিষদের মহাসচিব শিক্ষাবিদ শামসুদ্দীন শিশির, বক্তব্য রাখেন প্রগতি ইন্সুরেন্সের ডিএমডি মোঃ নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক সাইফুর রহমান চৌধুরী, শিল্পী জমির উদ্দিন চৌধুরী, এটিএম শহিদুল ইসলাম,
ডাঃ বরুণ কুমার আচার্য্য বলাই, মুহাম্মদ আবু নাসের, এম. সোলাইমান কাসেমী, আল জাবিরী, ফরিদ মিয়া, রাশেদ চৌধুরী প্রমুখ।

এতে শ্রেষ্ঠ শিক্ষানুরাগী হিসাবে সংবর্ধনা দেয়া হয় বোয়ালখালীস্থ হাজী জানে আলম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা হাজী মোহাম্মদ জানে আলমকে। এতে সংবর্ধিত ৬ গুণী শিক্ষক হলেন, ছমদরপাড়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অবঃ প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, এ.এল.খান উচ্চ বিদ্যালয়ের অবঃ প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব আবদুস সালাম চৌধুরী, কর্তালা বেলখাইন মহাবোধি উচ্চ বিদ্যালয়ের অবঃ সহঃ প্রধান শিক্ষক সুপ্রিয় বড়–য়া, বেগম ইকবাল জাকির হোসেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অব: প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) নীলিমা রাণী চৌধুরী, হালিশহর বেগমজান উচ্চ বিদ্যালয়ের অব: সিনিয়র শিক্ষক সাজেদ উল্লাহ্ কুতুবী, শশাংকমালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অব: প্রধান শিক্ষিকা রোকেয়া আকতার। অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত শিক্ষকবৃন্দকে ক্রেষ্ট তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ১৫৪ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষা অন্বেষা মেধাবৃত্তির পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।

শেষপর্বে সন্ধ্যা ৭টায় চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৩০ জনকে ক্রেষ্ট ও মেডেল পরিয়ে দেন সম্মানিত অতিথিবৃন্দ। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন রমিজ বাবু ও হোসনে আরা তারিন।


আরোও সংবাদ