শিবিরের হামলায় দু’কনস্টেবল আহত, আটক ২

প্রকাশ:| রবিবার, ১৮ আগস্ট , ২০১৩ সময় ০৮:৩৫ অপরাহ্ণ

newschittagong24.comnewsনগরীর পাঁচলাইশ থানার বাদুরতলা এলাকায় পুলিশ সদস্যদের বহনকারী একটি পিকআপ ভ্যানে হামলা চালিয়েছে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা। এতে দু’পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৬টি যানবাহন এবং টিভি ক্যামেরা ভাংচুর করেছে তারা।
রোববার সকাল পৌনে ১১ টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে।
জামায়াত-শিবিরের হামলায় আহতরা হলেন, কনস্টেবল জুয়েল (৩০) ও মো.হাশেম।
এ ঘটনার পর জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারে বাদুরতলাসহ আশাপাশের এলাকায় অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জামায়াত-শিবিরের কর্মী সন্দেহে তিনজনকে আটক করলেও পরে একজনকে ছেড়ে দেয়া হয়। আটক দু’জন হল, আরিফ (২৪) ও ইমাম হোসেন (২৪)।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (উত্তর) মো.শহীদুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের কাছে খবর ছিল নাশকতা সৃষ্টির জন্য জামায়াত-শিবির কর্মীরা জঙ্গী শাহ মাজার এলাকায় জড়ো হচ্ছে। এসময় পুলিশের টহল টিম ঘটনাস্থলে পৌছালে অতর্কিতভাবে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ এবং পুলিশের উপর হামলা চালায় তারা। এতে দু’পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছুড়েছে।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে দশটার দিকে বহদ্দার হাট এলাকায় জড়ো হতে থাকে জামায়াত শিবির কর্মীরা। এরপর বহদ্দারহাট এলাকা থেকে পথচারী বেশে জঙ্গী শাহ মাজার এলাকায় আসে।

এসময় আকস্মিকভাবে নারায়ে তাকবির স্লোগান দিয়ে মিছিল শুরু করে। খবর পেয়ে পাঁচলাইশ থানা পুলিশের টহল টিম মিছিলের দিকে এগিয়ে গেলে পুলিশ ভ্যানের উপর ককটেল ছুঁড়ে মারে জামায়াত শিবির কর্মীরা। এসময় এলোপাতাড়ি ইটপাটকেল ছুড়ে পুলিশ ভ্যান (চট্টমেট্রো-ম ০২-০৬২০) ভাংচুর করে তারা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়লে জামায়াত-শিবির কর্মীরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালনকালে ‘সময়’ টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান আশরাফুল আলম মামুনকে মারধর করে তার ক্যামেরা ভাংচুর করে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা।

নগর পুলিশের পাঁচলাইশ জোনের সহকারী কমিশনার শাহ মো.আব্দুর রউফ বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হবে।’


আরোও সংবাদ