মনজুর বিরুদ্ধে অভিযোগ নাগরিক কমিটির

প্রকাশ:| শনিবার, ২৮ মার্চ , ২০১৫ সময় ০৯:৩১ অপরাহ্ণ

মনোনয়ন পত্র সংগ্রহের একদিনের মাথায় বিএনপি সমর্থিত চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের প্রার্থী এম আচরণবিধি লংঘনের অভিযোগে এনেছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আ জ মনজুর আলমের বিরুদ্ধে নির্বাচনীম নাছিরের নাগরিক কমিটি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তির মুখোমুখি হতে পারেন তিনি। এক্ষেত্রে জেল-জরিমানা কিংবা প্রার্থীতা বাতিল হতে পারে মনজুর আলমের।

শনিবার বিকেলে নাগরিক কমিটির কো-চেয়ারম্যান ও নগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি নঈম উদ্দিন স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো. আব্দুল বাতেনের কাছে দাখিল করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, সিটি কর্পোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১১ এর বিধি ৪ অনুসারে ভোটগ্রহণের নির্ধারিত তারিখের ২১ দিন পূর্বে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করা যাবে না। তবে সুষ্পষ্ট বিধি লংঘন করে মনজুর আলম গত ২৬ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে নগরীর দেওয়ান হাটে তার নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন করেছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রিয় সহ সভাপতি আব্দুল্লাহ আল নোমান। যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে সচিত্র প্রতিবেদন আকারে প্রকাশিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ৭ এপ্রিল থেকে শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রিটার্নিং অফিসার মো. আব্দুল বাতেন বলেন, ‘মনজুর আলমের বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধি লংঘন করে নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন করার অভিযোগ এনে একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন নাগরিক কমিটির কো- চেয়ারম্যান নঈম উদ্দিন। অভিযোগকারীর মনোনীত প্রার্থী কিংবা অভিযুক্ত প্রার্থী দু’জনেই মনোনয়ন পত্র দাখিল করেনি এখনো। এরপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একজন সহকারি রিটার্র্নিং অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে যথাযথ আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত প্রার্থীর কি শাস্তি হতে পারে এমন প্রশ্নের উত্তরে আব্দুল বাতেন বলেন, ‘সিটি কর্পোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১১ এর বিধি ৪ যদি কোন প্রার্থী লংঘিত করেছেন প্রমাণিত হয়, তাহলে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, ৬ মাসের কারাদ- অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। এমনকি প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিলও হতে পারে। মনজুর আলমের শাস্তির বিষয়টি অভিযোগ প্রমাণের উপর নির্ভর করছে।’

আচরণবিধি লংঘনের অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিএনপি সমর্থিত প্রাথী এম মনজুর আলম বলেন, ‘আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই। যদি এ ধরণের কিছু হয়ে থাকলে আমাদের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ (আমীর খসরু-আব্দুল্লাহ আল নোমান) রয়েছেন তারাই বিষয়টি দেখবেন।’