‘শহীদ মিনারের পবিত্রতা ক্ষুণ্ন করছে সরকার’

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর , ২০১৪ সময় ০৮:২২ অপরাহ্ণ

ক্ষমতাসীন সরকার রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া। তিনি বলেন, অন্য সব কিছুর মতো শহীদ মিনারকেও দলীয়করণের মধ্য দিয়ে এর পবিত্রতা ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে বৃহস্পতিবার সকালে এক আলোচনা সভায় এ সব কথা বলেন তিনি।
ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. এমএ হাদীর সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘মেডিক্যাল শিক্ষা ও ডা. এম এ হাদী’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে সংগঠনটি।
ড্যাব সহ-সভাপতি ডা. এমএ সালামের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দিন আহমেদ, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ড্যাব মহাসচিব ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন প্রমুখ।
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, শহীদ মিনারে দলমত নির্বিশেষ সবাই যেতে পারত। মারা গেলে অনেককে সেখানে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য নিয়ে যাওয়া হতো। অধ্যাপক পিয়াস করিম সত্যের পক্ষে কথা বলতেন। তার লাশ শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিলে একটি রাজনৈতিক সংগঠন এর বিরোধিতা করছে।
তার মৃত আত্মার প্রতি ধৃষ্টতা প্রদর্শনকারীদের বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম বলেন, বিএসএমএমইউর প্রয়াত উপাচার্য ডা. এমএ হাদী রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছিলেন। তার মতো একজন দেশপ্রেমিক চিকিৎসককে দুর্নীতির মামলা দিয়ে ছোট করা হয়েছে। অথচ লুণ্ঠনকারী ও দলীয় লোকদের ডাইরেক্টর নিয়োগ দাতাদের বিরুদ্ধে মামলা হয় না।
ডা. হাদীর দুর্নীতির মামলাকে মিথ্যা প্রমাণের জন্য ড্যাবকে অনুসন্ধানী প্রকাশনা প্রকাশের আহ্বান জানান তিনি।
বিএনপির এই সিনিয়র নেতা অভিযোগ করেন, সরকার বিরোধী জোটের অস্তিত্ব বিলীন করে দিয়ে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে চায়।
তিনি বলেন, লতিফ সিদ্দিকীর দেওয়া বক্তব্যের জন্য মন্ত্রিসভা ও প্রধানমন্ত্রীও দায়ী। এটা তার বক্তব্যেই ফুটে উঠেছে। তাকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় আনতে হবে।