শফিক রেহমান-ইমরান সরকার একই মুদ্রার দুই পিঠ

প্রকাশ:| রবিবার, ২৪ এপ্রিল , ২০১৬ সময় ০৭:২৫ অপরাহ্ণ

মুদ্রাশফিক রেহমান ও ইমরান এইচ সরকারকে একই মুদ্রার দুই পিঠ আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় অপহরণ চক্রান্তে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সুচিন্তা বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম বিভাগ।

রোববার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে এ দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। মানববন্ধনে বিপুলসংখ্যক ছাত্র-যুবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ অংশ নেন।

সুচিন্তা চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়ক ড. মো. আশরাফুল ইসলাম সজীবের সভাপতিত্বে মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন ফিরিঙ্গিবাজার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, স্থপতি আশিক ইমরান, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক অর্থ সম্পাদক শুকলাল দাশ, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা দেবাশীষ পাল দেবু, সুচিন্তার কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরী, ডা. হোসেন আহমদ, নুরুল আমিন, সাইফুল ইসলাম বাপ্পি, শেখ শরফুদ্দিন সৌরভ, মো. ইমরান উদ্দিন, তৌহিদুল ইসলাম, এইচএম তারেকুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান, মো. শহিদ, মো. মনসুর, রেজাউল করিম প্রমুখ। সঞ্চালনায় ছিলেন সুচিন্তার কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ বোখারী আজম।

অ্যাডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরী বলেন, শফিক রেহমানের পক্ষে ইমরান সরকারের নিলর্জ দালালির মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয় যে, সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র হয়েছিল। যারা এ ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে চায়, যারা অভিযুক্তদের পক্ষে মায়াকান্না কিংবা দালালি করতে তাদের বিরুদ্ধে অধিকতর তদন্তের প্রয়োজন আছে।

শুকলাল দাশ বলেন, শফিক রেহমানের জঘন্য অপরাধের জন্যে আমরা ধিক্কার জানাই। তিনি জামায়াতের মদদে এ ধরনের ঘৃণ্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছেন। বর্তমানে শফিক রেহমান ও ইমরান সরকার একই মুদ্রার দুই পিঠ।

দেবাশীষ পাল দেবু বলেন, এখন আমরা বুঝতে পারছি শফিক রেহমানের লাল গোলাপে সুগন্ধ বলে কিছু ছিল না। বিষ মাখানো ছিল তার গোলাপে। সরকার যদি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা না করে তবে জনগণের আদালতে তার বিচার হবে। অতীতে আমরা দেখেছি জনগণের আদালতের বিচার কখনো ব্যর্থ হয়নি।

আশিক ইমরান বলেন, জয়ের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী ও বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

সমাপনী বক্তব্যে ড. মো. আশরাফুল ইসলাম সজীব বলেন, জয়ের অপরাধ তিনি বাংলাদেশকে উন্নত দেশের কাতারে নিয়ে যেতে চান। তিনি বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করতে চান। তিনি ডিজিটাল বিপ্লবের মাধ্যমে এদেশের প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে থাকা দুর্নীতি বন্ধ করতে চান। তিনি আমাদের তরুণদের স্বপ্ন দেখাতে চান, এগিয়ে নিতে চান। তাই তাকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হয়েছে। এর সঙ্গে খালেদা জিয়া, তারেক জিয়া ও শফিক রেহমানরা জড়িত।

তিনি বলেন, শফিক রেহমানের মতো মানুষ একজন মানুষ হত্যার চক্রান্তে জড়িত থাকতে পারেন তা আমাদের কল্পনায়ও আসেনি। কিন্তু সত্য উদঘাটিত হয়েছে। আমরা এ জয়ের ঘটনায় অভিযুক্তদের পাশাপাশি এ ঘটনায় বিভ্রান্তি সৃষ্টিতে লিপ্ত ব্যক্তিদেরও রিমান্ডসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। তারা সবাই একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।


আরোও সংবাদ