লড়াই চলবে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ২৫ জুন , ২০১৩ সময় ১০:৫১ অপরাহ্ণ

‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও রায় কার্যকর এবং জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের চূড়ান্ত বিজয় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে। বাংলার তরুণ সমাজ এ লড়াই তেকে এক পা’ও পিছিয়ে আসবে না।’

গণজাগরণ মঞ্চের কেন্দ্রীয় সংগঠকদের সঙ্গে চট্টগ্রামের সংগঠকদের এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর ইসলামাবাদী মেমোরিয়াল হলে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ডা. চন্দন দাশের সভাপতিত্বে এবং রাশেদ হাসান ও সুনীল ধরের পরিচালনায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন জাসদ ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সামসুল ইসলাম, ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সভাপতি বাপ্পাদিত্য বসু, ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক হাসান তারেক, ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হাবিব রুমন, ছাত্র আন্দোলনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মঞ্জুর রহমান মিঠু, বিপ্লবী ছাত্র সংহতির সভাপতি মীর রেজাউল আলম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সুমীত সাহা। জেলা সংগঠকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ব্লগার ও অনলাইন এক্টিভিস্ট মাহামুদুল হক মুন্সী (বাঁধন)।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম গণজাগরণ মঞ্চের সদস্য সচিব শরীফ চৌহান ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, ‘ধর্মের দোহাই দিয়ে নাস্তিকতা-আস্তিকতার প্রশ্ন সামনে এনে তারা মুক্তির সংগ্রামকে বিভাজিত করতে চায়। তারা দেশের শত্রু। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সময় মৌলবাদী চক্র ধর্মের প্রশ্নকে সামনে নিয়ে এসেছে। চূড়ান্তভাবে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করেই এ অপশক্তিকে পরাস্ত করতে হবে।’

বক্তারা আরও বলেন, ‘একটি কাঠের মঞ্চ ভেঙ্গে দিলেই আন্দোলন বন্ধ হয়ে যায় না। এটি ১৬ কোটি মানুষের হৃদয়ের চেতনার আন্দোলন।’

মতবিনিময় সভায় স্থানীয় সংগঠকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার, নারী নেত্রী নূরজাহান খান, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির যুগ্ন আহবায়ক শওকত বাঙালী, প্রত্যয় একাত্তরের সভাপতি সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, সাধারণ সম্পাদক লুবনা হারুন, প্রজন্ম একাত্তরের সভাপতি অ্যাডভোকেট আইয়ুব খান, কবি ও সাংবাদিক কামরুল হাসান বাদল, সাম্প্রদায়িকতা-জঙ্গীবাদ বিরোধী মঞ্চের আহ্বায়ক বালাগাত উল্লাহ, ছাত্র মৈত্রীর জেলা সভাপতি ফারুক আহমেদ রুবেল, ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি রবিউল হাসান, ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি আল কাদেরী জয়, ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন অপু, ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব বিজয় দাশ, ছাত্র ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মিন্ঠু বড়–য়া প্রমূখ।