ল্যাবটেস্ট ছাড়াই পোল্ট্রি খাদ্য ও ওষুধের চালান খালাসের অনুমতি

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর , ২০১৬ সময় ১০:৫০ অপরাহ্ণ

আমদানি নীতি আদেশে বাধ্যবাধকতা থাকার পরও ল্যাবটেস্ট ছাড়াই ৫২টি পোল্ট্রি খাদ্য ও ওষুধের চালান খালাসের অনুমতি দিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

ও ওষুধের চালানগত সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের ১ নম্বর গ্রুপে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে ওইদিন গ্রুপের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার কামরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন না। ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার মোফাজ্জল হোসেন এসব চালান খালাসের অনুমতি দেন।

পোল্ট্রি খাদ্য ও ওষুধ শতভাগ ল্যাবটেস্ট করা বাধ্যতামূলক জানিয়ে চট্টগ্রাম কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার রেজাউল হক বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন।

এদিকে পণ্য খালাসের অনুমতি পাওয়ার পর বুধবার এসব চালান খালাস প্রক্রিয়া শূরু হবে বলে জানা গেছে। তবে জরুরি ভিত্তিতে কেউ কেউ মঙ্গলবার চালান খালান নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার মো.রেজাউল হক বলেন, পোল্ট্রি খাদ্য ও ওষুধের চালান খালাস শতভাগ ল্যাবটেস্ট করা বাধ্যতামূলক। কেউ যদি পরীক্ষা না করিয়ে চালান খালাস নেয় তাদের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, সাধারণত এধরনের চালানের নমুনা নিয়ে চট্টগ্রাম ভেটেরেনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। সেখান থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর চালানা খালাসের অনুমতি দেওয়া হয়। সোমবার সংশ্লিষ্ট গ্রুপের সহকারী কমিশনার কামরুল ইসলাম ছুটিতে ছিলেন। এদিন ওই বিভাগের ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোফাজ্জল হোসেন। তিনিই ল্যাবটেস্ট ছাড়া এসব চালান খালাসের অনুমতি দেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, পোল্ট্রি খাদ্য ও ওষুদের নামে মিথ্যা ঘোষণায় দিয়ে আমদানি নিষিদ্ধ অথবা ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য নিয়ে আসে। এ ধরনের একটি জালিয়াত চক্র সক্রিয় রয়েছে। তারা পণ্যের চালান বন্দরে এনে ফেলে রাখে। সুযোগ বুঝে খালাস করে নেয়। এর আগে এ ধরনের বেশ কয়েকটি চালান আটক করা হয়েছিল।