লোহাগাড়ার সব খবর

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি , ২০১৪ সময় ১০:০৬ অপরাহ্ণ

লোহাগাড়ায় সড়ক দূর্ঘটনায় শিশু নিহত, বাবা আহত
আবুল কালাম আজাদ, লোহাগাড়া:
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা গাছের সাথে ধাক্কায় আবদুল আউয়াল (৮) নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা হাফেজ মনির আহমদ গুরুতর আহত হয়েছে। গত ৬ জানুয়ারী সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে দশটায় উপজেলার পদুয়াস্থ পেঠান শাহ্ দরগাহ গেট এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে । হতাহতরা সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে ।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শিশু আবদুল আউয়াল উপজেলার বড়হতায়িা হাদুর পাড়া হেফজখানার ছাত্র। বাবার সাথে হেফজখানা থেকে বাড়ি ফেরার পথে অটোরিক্সাটি ঘটনাস্থলে পৌঁছলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারায়। ফলে, অটোরিক্সাটি সড়কের পার্শ্বস্থ একটি গাছের সাথে ধাক্কা লাগলে ঘটনাস্থলে শিশু আবদুল আউয়াল প্রাণ হারায়। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হাফেজ মনির আহমদকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

লোহাগাড়ায় খুনের ঘটনার ৩ আসামী গ্রেফতার
:

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় সংঘটিত খুনের ঘটনার সাথে জড়িত ৩ আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে একটি প্রাইভেট কার (চট্ট-মেট্রো-গ-১২-৭৮)। গ্রেফতারকৃতরা হল কুমিল্লার চাঁন্দিনা উপজেলার আলী হোসনের পুত্র আলাউদ্দীন (১৯), নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার মো. ইয়াকুব আলীর পুত্র ফারুক হোসেন ইমরান (১৯) ও কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার মো. আলীর পুত্র দিদারুল আলম (২৭)।
উল্লেখ্য, গত ২৬ ডিসেম্বর দিনগত রাতে মো. ইব্রাহিম মিন্টু (৪০) এর লাশ পাওয়া যায় লোহাগাড়ার চুনতি ইউনিয়নের মিঠার দোকান এলাকাস্থ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সন্নিকটে। সে একজন প্রাইভেট কার চালক ও চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের মৃত মন্নান কাজির পুত্র। গ্রেফতারকৃত আসামীরা ইব্রাহিম মিন্টুর চালিত প্রাইভেট কারটি কক্সবাজার যাওয়ার কথা বলে ভাড়া করে। যাওয়ার পথে লোহাগাড়ার চুনতিতে চালক ইব্রাহিম মিন্টুকে হত্যা করে কার গাড়টি নিয়ে চম্পট দেয়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লোহাগাড়া থানা পুলিশ আলাউদ্দীন ও ফারুক হোসেন ইমরানকে চট্টগ্রাম শহর থেকে গ্রেফতার করে। এদের স্বীকারোক্তিমতে, দিদারুল আলমকে টেকনাফ থেকে গ্রেফতার ও প্রাইভেট কারটি উদ্ধার করে।

লোহাগাড়ায় শিবির-যুবদলের দু’ক্যাডার গ্রেফতার

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় শিবির ও যুবদলের দু’ক্যাডারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৩ টায় উপজেলার সাতগড় ও দরবেশ এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টার থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, শিবির ক্যাডার ওমর ফারুক (২৫) ও যুবদল ক্যাডার আবদুল আজিজ (৩৫)। গ্রেফতারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে থানা সূত্রে প্রকাশ।
লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহজাহান পিপিএম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত শিবির ক্যাডার ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে হত্যা, অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর ও ব্যালট বাক্স ছিনতাইসহ বিভিন্ন অভিযোগে ৮টি মামলা রয়েছে। গ্রেফতারকৃত যুবদল ক্যাডার আবদুল আজিজের বিরুদ্ধে উপজেলার রাজঘাটা এলাকায় সেনাবাহিনীর গাড়ী ভাংচুর ও বটতলী মোটর ষ্টেশনে ভাংচুর মামলার এজাহারভুক্ত আসামী। ওমর ফারুক উপজেলার চুনতি সাতগড় মেম্বার পাড়ার জালাল আহমদের পুত্র। সে দুধর্ষ শিবির ক্যাডার। আবদুল আজিজ উপজেলা 0সদরের মজিদার পাড়া এলাকার মৃত আবদুর রহমানের পুত্র। সে যুবদল ক্যাডার ও উপজেলা জাসাসের সহ-সভাপতি।

হত্যা, ব্যালট বাক্স ছিনতাই ও গাড়ী ভাংচুরের অভিযাগ
লোহাগাড়ায় জামায়াত-বিএনপি ও শিবিরের ১৩শ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দু’টি মামলা

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় গত ৫ জানুয়ারী দশম জাতীয় নির্বাচন চলাকালীন সময়ে ভোটকেন্দ্রে হত্যা, ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের চেষ্টা, গাড়ী ভাংচুর ও ত্রাস সৃষ্টির অভিযোগে পৃথক দু’টি মামলা রুজু করা হয়েছে। এ মামলা দু’টিতে এজাহারনামীয় ২৯৩ এবং অজ্ঞাতনামা ১হাজার জামায়াত-বিএনপি ও শিবিরের নেতাকর্মীকে আসামী করা হয়েছে।
লোহাগাড়া পুলিশ জানায়, নির্বাচনের দিন উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে শিবির ক্যাডার এনামুল হক লালু হত্যা ও কেন্দ্রে সন্ত্রাস সৃষ্টির অভিযোগে পুলিশের নায়েক রাজেশ কুমার চাকমা বাদী হয়ে গত সোমবার রাতে এজাহারনামীয় ১৩৫ ও অজ্ঞাতনামা ৫০০ জামায়াত-বিএনপি ও শিবিরের নেতাকর্মীকে আসামী করে একটি মামলা রুজু করেন।
অপরদিকে, উপজেলার আমিরাবাদস্থ দক্ষিণ সাতকানিয়া গোলামবারী উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে পর পর একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সরকারী কাজে বাঁধাদান, ত্রাস সৃষ্টি ও পুলিশের গাড়ী ভাংচুরের অভিযোগে গত ৬ জানুয়ারী সোমবার রাতে অপর মামলাটি রুজু করেন। মামলায় এজাহারনামীয় ১৫৮ এবং অজ্ঞাতনামা ৫০০ জামায়াত-বিএনপি ও শিবিরের নেতাকর্মীকে আসামী করা হয়েছে। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত রুজুকৃত দু’টি মামলায় কেউ গ্রেফতার হয়নি।