লোকসানের শঙ্কার মধ্যেও ৫ লাখ চামড়া সংগ্রহের আশা

প্রকাশ:| বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর , ২০১৬ সময় ০৯:৩৮ অপরাহ্ণ

লোকসানের শঙ্কার মধ্যেও গতকাল ঈদেরদিন বিকাল থেকেই বন্দরনগরী চট্টগ্রামের আতুরার ডিপো এলাকায় কাচা চামড়া আড়তদাররা চামড়া সংগ্রহ শুরু করেছেন।

চামড়া সংগ্রহে ব্যবহৃত লবণের দাম বৃদ্ধি, স্থানীয় পর্যায়ে জেলা, উপজেলার দালাল-ফড়িয়া ও ছোট ব্যবসায়ীদের বেশি দরে চামড়া কেনায় এই শঙ্কা তাদের।
আতুরার ডিপো কাচা চামড়া আড়ত২

আতুরার ডিপো কাচা চামড়া আড়ত
চট্টগ্রাম কাঁচা চামড়া আড়তদার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মো. সেকান্দার মিয়া বলেন, “কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটিসহ বৃহত্তর চট্টগ্রাম এলাকা থেকে গরু-মহিষ-ছাগল মিলিয়ে পাঁচ লাখের মতো কাঁচা চামড়া আড়তদাররা সংগ্রহ করবেন বলে আশা করছি।”

“কোরবানির দিন দুপুরের পর থেকে বিভিন্ন এলাকা থেকে আড়তে চামড়া আসা শুরু হয়েছে। এসব চামড়া লবণ দিয়ে সংরক্ষণের পর প্রক্রিয়াজাত শেষে ঢাকার ট্যানারি মালিকদের কাছে বিক্রি করা হবে।”

সেকান্দার বলেন, এবার ঢাকার বাইরে গরুর কাঁচা চামড়ার প্রতি বর্গফুটের দাম ধরা হয়েছে ৪০ টাকা। কিন্তু দালাল ফরিয়ারা যে হারে স্থানীয় পর্যায়ে চামড়া সংগ্রহ করেছেন তাতে আড়তদাররা তা কেনার পর লোকসানেই পড়বে।

এছাড়া লবণের দাম এবারে বেশি উল্লেখ করে তিনি বলেন, শ্রমিকদের বেতন ও লবণের দাম মিলিয়ে আড়তদারের একেবারে কিছুই থাকবে না।
চামড়া ব্যবসায়ীরা জানান, কোরবানির দিন থেকে এক সপ্তাহ পর্যন্ত আড়তদারেরা চামড়া সংগ্রহ করে লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করবেন। এরপর ঢাকার ট্যানারি মালিকদের কাছে প্রক্রিয়াজাত করা এইসব চামড়া বিক্রি করা হবে।

আড়তদার সমিতির সাবেক সভাপতি মুসলিম উদ্দিন বলেন, চট্টগ্রামে সমিতির ১১২ জন সদস্য ছাড়াও ৭০ জন আড়তদার কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করছেন।

তিনি বলেন, এবারে চার লাখের মতো গরু, একলাখের মতো ছাগল এবং ১০ থেকে ১২ হাজার মহিষের চামড়া সংগ্রহ হতে পারে।

গত বছর কুরবানির ঈদের সময়েও পাঁচলাখের মতো গরু-মহিষ ও ছাগলের চামড়া সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে আড়তদাররা জানিয়েছেন।