লাখ টাকার সুইচ গেইট এলাকার অভিশাপ!

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| বুধবার, ১১ জুলাই , ২০১৮ সময় ১১:১২ অপরাহ্ণ


সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও প্রতিনিধি, কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও চাঁন্দেরঘোনা খালের উপর পাউবোর ২১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২০০৪/৫ সালে নির্মিত সুইচ গেইটটি এলাকার জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ অপরিকল্পিতভাবে সুইচ গেইট স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ এর অভাবে খালের পাড় ভেঙ্গে জমির উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পানি। ফলে চাষাবাদের জমি নদীগর্ভে বিলিন হওয়ার পাশাপাশি প্রায় ১০ একর জমি চাষাবাদ করতে পারছে না কৃষকরা। তাছাড়াও খালের পানি জমি দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় খালের পাড়ের রাস্তাটি প্রায় বিলিন হওয়ার পথে। পাশাপাশি অপর রাস্তাটি ভেঙ্গে কালর্ভাট ব্রীজটি তলিয়ে গেছে। যার কারনে শতাধিক পরিবার নিয়ে কোনাপাড়া এলাকার মানুষ মানবেতর জিবনযাপন করছে। যাতায়াত ব্যবস্থা না থাকায় যান ও জন চলাচলে চরম ভোগান্তিসহ নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এ এলাকার বাসিন্দারা। কয়েক বছর ধরে এ অবস্থাায় পড়ে থাকার পরেও জনপ্রতিনিধি কিংবা সংশ্লিষ্টদের কোন উদ্যোগ না দেখায় চরম হতশায় ভোগছেন এলাকাবাসী। এমন করুণদশা থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্যে জোর দাবী জানিয়েছেন সচেতন মহল।
স্থানীয় শিক্ষার্থীরা বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে কথাটি মানতেও কষ্ট হচ্ছে! ১০০ বছর ধরে বসবাসকৃত এলাকার রাস্তাা ঘাটের এমন অবস্থা দেখে। এটাকি জনপ্রতিনিধিদের অযোগ্যতা নাকি সরকারের ব্যর্থতা প্রশ্নটা থেকে যাচ্ছে বার বার। না হয় কয়েক বছর ধরে রাস্তাগুলো এ অবস্থায় পড়ে থাকার পরেও সংস্কার হচ্ছে না কেন? বর্ষার মৌসুমে স্কুল-মাদ্রাসা, কলেজে যাওয়ার পরিবেশও থাকে না বন্যার কারণে।
স্থানীয় জমির মালিকরা বলেন, তৎকালীন জনপ্রতিনিধির ভুল সিদ্ধান্তই জমি চাষাবাদ করতে না পারার অন্যতম কারণ। সুইচ গেইটটি যদি পূর্বে বাঁধ নির্মাণের জয়গায় স্থাপন করা হত তাহলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হতনা। এখন সুইচ গেইটটি সরাতে হবে না হয় ভেঙ্গে ফেলতে হবে অন্যতায় সমস্যা সমাধান হবে না।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেন, অনেক দিনের পুরাতন রাস্তা সংস্কারের অভাবে গাড়ি চলাচলের অযোগ্য হওয়ায় ব্যবসাটাও তেমন হচ্ছে না। ঈদগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলমের মুঠোফোনে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: সবিবুর রহমান বলেন এ বিষয় আমরা অবগত ছিলাম না তবে অল্প সময়ের মধ্যে প্রতিনিধি দল পাঠানো হবে এবং তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।