লস্কর পদে নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশ:| শনিবার, ২৫ নভেম্বর , ২০১৭ সময় ১০:৩৭ অপরাহ্ণ

২৪ নভেম্বর ২০১৭ইং সকাল ১০টায় জাতীয় পেশাজীবী লীগ, চট্টগ্রাম মহানগর এর উদ্যোগে জামালখানস্থ চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংগঠনের সভাপতি মনিরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সদস্য সালাউদ্দিন লিটন এর সঞ্চালনায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম বন্দরে বিতর্কিত লস্কর পদে নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির সুস্থ তদন্ত এবং সরকারী ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহে চট্টগ্রামবাসীকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদান এবং কোটা সংরক্ষণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তারা উল্লেখ করেন যে, ৩০ নভেম্বর এর মধ্যে এই বিতর্কিত নিয়োগ প্রক্রিয়া সুস্থ তদন্তপূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা না হলে বৃহত্তর কর্মসূচীর ঘোষনা করা হবে।
উক্ত মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পেশাজীবি পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান চৌধুরী। এতে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য ও নারী নেত্রী এড. উম্মে হাবিবা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা পেশাজীবি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, সাপ্তাহিক গণঅধিকার এর প্রধান সম্পাদক আবুল মনসুর, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোর্শেদ, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা মোর্শেদ সিকদার, যুবলীগ নেতা জামিল উদ্দিন, নগর ছাত্রলীগ পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আকতার হোসেন সৌরভ, ছাত্রলীগ নেতা জয়নাল উদ্দিন ফরহাদ, গার্মেন্টস কর্মকর্তা সৈয়দ দিদার, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল করিম, শরফুল ইসলাম মাহি, মাহবুবুল আলম, দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ নেতা মো: আয়াছ, পরিবর্তন চট্টগ্রাম আহ্বায়ক আহসানুল কুতুবী সহ প্রমুখ।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, বীর চট্টলার গৌরব মাস্টারদা সূর্যসেন, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, হাজী শরীয়ত উল্লাহ সহ অনেক বীর সন্তান তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য যুগে যুগে আত্মহুতি দিয়েছেন। এই বন্দর নিয়ে একটি মহল দীর্ঘ দিন যাবৎ ষড়যন্ত্র করে আসছে। তারা বিভিন্নভাবে নিজের স্বার্থের জন্য চট্টগ্রামবাসীকে নানানভাবে প্রতারিত করছেন। এ মাফিয়াদের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন ও প্রতিরোধ করার জন্য উদার আহ্বান জানান। এ বন্দরের জায়গা অধিগ্রহণ করার সময় বন্দর কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছিলেন স্থানীয় লোকজনদের ৬০% চাকুরীর কোটা সংরক্ষণ করা হবে। কিন্তু আদৌ তা মানছেন না। নৌ পরিবহণ মন্ত্রী মহোদয় শাহজাহান খান ইতোমধ্যে তাহার এলাকার মাদারীপুরের ৯০% নিয়োগ দেন এবং তিনি বিভিন্নস্থানে বলেছেন যে, মাদারীপুরের লোকেরা যোগ্য মেধাবী এবং যোগ্য। সামান্য লস্কর বা জাহাজের দড়ি লাগাবার ক্ষেত্রে সুস্বাস্থ্য প্রয়োজন হয়। এখানে মেধার কোন মূল্যায়ন হয় না। সেহেতু চট্টগ্রাম বন্দরের অধিগ্রহণকৃত ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাবাসীর হইতে উক্ত নিয়োগ করিলে চট্টগ্রাম বাসী উপকৃত হবে এবং তা সময়ের দাবী।
স্বাধীনতার পর হইতে আজ অবধি এদেশের অর্থনীতিতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখে আসছে শুধুমাত্র চট্টগ্রাম বাসী। অর্থনীতির চালিকাশক্তিকে শুধুমাত্র বিদেশী রেমিটেন্স দিয়ে নয়, নিজস্ব তহবিল থেকে শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলেছেন ঢাকা সহ সারাদেশে সমৃদ্ধি করেছে। অথচ চট্টগ্রামের মানুষ বারবার বঞ্চিত হয়েছে শিক্ষার উন্নয়ন, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে লস্কর নিয়োগে অনিয়ম যথাযথ যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন না হলে জাতীয় পেশাজীবি পরিষদ বৃহত্তম কর্মসূচী দিতে বাধ্য হবে।
নিউজটি ছবিসহ আপনার পত্রিকা অফিসের ই-মেইলে দেওয়া হয়েছে।