লবণ শিল্পের উন্নয়নে প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ , ২০১৬ সময় ০৮:২৭ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র কুটির শিল্প কর্পোরেশন বিসিক লবণ শিল্পের উন্নয়ন কর্মসূচীর সাদা দানাদার ও পরিপক্ক লবণ চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে উদ্যোক্তা চাষীদের ২ দিনের প্রশিক্ষণ কোর্স মঙ্গলবার সম্পন্ন হয়েছে। চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ডুলা-ফুলছড়ি লবণ কেন্দ্র আয়োজিত দু দিনের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লবণ শিল্পের উন্নয়ন কার্যালয় বিসিক কক্সবাজারের উপ- মহা ব্যবস্থাপক মো: আবছার উদ্দিন।
সোমবার- মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কোর্সে শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন গোমাতলী লবণ কেন্দ্র প্রধান দেলোয়ার হোছাইন।

বিসিক কক্সবাজার অফিস সহকারী মো: ইদ্রীস আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত প্রধান অতিথি খুটাখালী ইউপি চেয়ারম্যান মো: আবদুর রহমান উন্নতমানের সাদা দানাদার ও পরিপক্ক লবণ উৎপাদনে অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও জিডিপিতে অবদান বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিসিক কক্সবাজারের সমন্বয় কর্মকর্তা রিদোয়ানুর রশিদ। বিশেষ অতিথিদের মধ্যে খুটাখালী অগ্রণী ব্যাংক সিনিয়র অফিসার মো: মনজু মিয়া, চৌফলদন্ডি লবণ কেন্দ্রের প্রধান সামীম আলম, বিসিক কর্মচারী ইউনিয়ন সভাপতি মনজুর আলম বক্তব্য রাখেন। উদ্যোক্তা ও চাষীদের মধ্যে এম জাফর আহমদ, মাষ্টার রেজাউল করিম রেজু ও সাংবাদিক সেলিম উদ্দিন বক্তব্য রাখেন। এসময় বিসিক সহকারী হিসাব নিয়ন্ত্রক নজরুল ইসলাম, ডুলা ফুলছড়ি লবণ কেন্দ্র প্রধান রনজীব বড়–য়া, অফিস সহকারী নাছির উদ্দিনসহ প্রশিক্ষণ কোর্সে প্রায় ১১০ জন উদ্যোক্তা চাষী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে লবণ শিল্পের উন্নয়ন কার্যালয় বিসিক কক্সবাজারের উপ মহাব্যবস্থাপক মো: আবছার উদ্দিন সনাতন পদ্ধতির চেয়ে সাদা দানাদার ও পরিপক্ক লবণ উৎপাদনের প্রয়োজনীয়তা, অধিক মুনাফা সম্পর্কে ধারণা, আমদানী বিকল্প সাদা দানাদার এবং পরিপক্ক লবণ উৎপাদনে বাজার চাহিদার বিশ্লেষন করে বলেন, সরকার চলতি মৌসুমে দেশে লবণ উৎপাদনে স্বয়ং সম্পুর্ণতা অর্জন করে বিদেশ হতে যাতে লবণ আমদানি করতে না হয় সে লক্ষ্যে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ৬০ হাজার একর জমিতে ১৮ লক্ষ মেট্রিক টন পরিশোধিত লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। আবহাওয়া লবণ উৎপাদনের অনুকুলে থাকলে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব দাবী করে তিনি আরো বলেন, কালো লবণ উৎপাদনে লবণ মাঠ ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং লবণের সাথে মিশ্রিত কাদাদ্বারা মিল এলাকার নদ নদী ক্রমান্নয়ে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। যা পরিবেশের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। কাজেই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে পলিথিন পদ্ধতিতে সাদা দানাদার ও পরিপক্ক লবণ উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের লবণের চাহিদা পুরণ করার জন্য উদ্যোক্তা ও চাষীদের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে বিসিকের বিশেষ উপহার সামগ্রী ও দুপুরের খাবার দেয়া হয়।