লবণ আমদানির অনুমতি দেয়া হবে না

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২২ মে , ২০১৪ সময় ০৭:২৪ অপরাহ্ণ

২০১৬ সালের মধ্যে দেশের শতভাগ পরিবারকে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহারের আওতায় আনার কাজ চলছে। দেশের লবণ চাষিদের উৎপাদিত লবণের মূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ বছর কোনো লবণ আমদানির অনুমতি দেয়া হবে না। বুধবার রাজধানীর রূপসী বাংলা হোটেলে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) সর্বজনীন আয়োডিনযুক্ত লবণ প্রকল্প (সিআইডিডি) এবং গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রোভড নিউট্রেশনের (গেইন) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী ‘সর্বজনীন আয়োডিনযুক্ত লবণ নিশ্চিতকরণ’-শীর্ষক জাতীয় কর্মশালা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এমপি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বিসিক চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশুবিষয় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ ফরহাদউদ্দিন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। শিল্পমন্ত্রী বলেন, বিশ্বায়নের যুগে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য দক্ষ ও মেধাবী জনসম্পদ প্রয়োজন। জ্ঞানভিত্তিক সমাজ ও শিল্পসমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে বর্তমান সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, ২০১৬ সালের মধ্যে দেশের ১০০ শতাংশ লবণে পরিমিত পরিমাণ আয়োডিন মিশ্রণের মাধ্যমে দেশের আয়োডিনের অভাবজনিত সমস্যা সমাধানে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। এজন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আহ্বান জানান। মন্ত্রী বলেন, সব মানুষের কাছে পরিমিত পরিমাণ আয়োডিনযুক্ত ভোজ্য লবণ পেঁৗছানোর ক্ষেত্রে লবণ মিল মালিকসহ সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা একান্ত প্রয়োজন। এক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। কর্মশালায় জানানো হয়, সিআইডিডি প্রকল্পের মাধ্যমে ইউনিসেফের সহায়তায় দেশের আটটি লবণ জোনে ২৬৭টি সল্ট আয়োডাইজেশন প্লান্ট (এসআইপি) বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়েছে। এর মাঝে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ইনিসিয়েটিভ (এমআই) কর্তৃক ২০০টি এসআইপির মানোন্নয়ন করা হয়েছে। ১৯৯৩ সালে দেশের জনগোষ্ঠীর মধ্যে আয়োডিন ঘাটতির হার ছিল ৬৮.৯৪ শতাংশ। যা বর্তমানে ৩৩.৮০ শতাংশে নেমে এসেছে। ওই কর্মকা- বাস্তবায়নের ফলে এরই মধ্যে দেশের ৮৪ শতাংশ পরিবারকে আয়োডিনযুক্ত ভোজ্য লবণ ব্যবহারের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে।