রোয়ানু পরিণত হয়েছে স্থল নিম্নচাপে, তিন নম্বর সংকেত

প্রকাশ:| শনিবার, ২১ মে , ২০১৬ সময় ১১:৩৮ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম এলাকার ওপর দিয়ে বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করার পর বৃষ্টি ঝরিয়ে ক্রমশ দুর্বল হয়ে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু পরিণত হয়েছে স্থল নিম্নচাপে।

ঝড় কেটে যাওযায় সমুদ্র বন্দরগুলোকে বিপদ সংকেত নামিয়ে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এ তথ্য জানান।

আবহাওয়াবিদরা জানান, মোটামুটি ৩০০ কিলোমিটার ব্যাসের এই ঘূর্ণিঝড় বেলা দেড়টার দিকে চট্টগ্রম উপকূলের সন্দ্বীপ, হাতিয়া, কুতুবদিয়া, সীতাকুণ্ড ও ফেনী উপকূল দিয়ে স্থলভাগে উঠে আসে। এরপর বৃষ্টি ঝরাতে ঝরাতে সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাংলাদেশ অঞ্চল পেরিয়ে যায়।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, “ঘূর্ণিঝড়টি প্রচুর বৃষ্টি ঝরিয়ে দুর্বল হয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যায় সেটি অবস্থান করছিল ত্রিপুরা-মিজোরাম এলাকায়।”

সামছুদ্দিন আহমেদ জানান, ঝর সরে গেলেও সাগর উত্তাল থাকায় এবং বাতাসের গতি বেশি হওয়ায় সতর্কতা হিসেবে সমুদ্র বন্দরের জন্য ৩ নম্বর সংকেত রাখা হয়েছে।
“পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক হলে সতর্কতা সংকেতও তুলে নেওয়া হবে।”

আবহাওয়া অধিদপ্তর ইতোমধ্যে জানিয়েছে,ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর বিপদ কাটলেও এর প্রভাবে আরও দুই দিন বরিশাল-চট্টগ্রাম উপকূলসহ দেশের প্রায় সব জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।

ঝড়ের প্রভাবে শনিবার ভোর থেকে চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে। সকাল ৬টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে ফেনীতে, ৬১ মিলিমিটার।

ঝড়ে চট্টগ্রাম, ভোলা, পটুয়াখালী, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও কক্সবাজারে অন্তত ২৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

উপকূলীয় এলাকার নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে তিন থেকে চার ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়েছে। ভেঙে পড়েছে কয়েকশ ঘর।


আরোও সংবাদ