রিপন সরদারের ওপর হামলাকারীদের খুঁজে বের করতে পুলিশ তদন্ত শুরু

প্রকাশ:| রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর , ২০১৩ সময় ১১:৩৩ অপরাহ্ণ

todontoবিশ্বজিৎ হত্যা মামলার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী রিকশাচালক রিপন সরদারের ওপর হামলাকারীদের খুঁজে বের করতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
রিপনের ভাষ্যমতে, গতকাল শনিবার ভোরে রিকশাচালক রিপন শরীয়তপুর থেকে লঞ্চযোগে ঢাকার সদরঘাট টার্মিনালে পৌঁছান। এরপর খিলগাঁওয়ের মান্ডার উদ্দেশে যাওয়ার পথে পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড়ে পোশাকধারী তিন পুলিশ তাঁর পথরোধ করে। এদের মধ্যে বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য এক পুলিশ রিপনকে মারধর করে তাঁর কাছ থেকে ৪০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়।
জানতে চাইলে আজ রোববার পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি তদন্ত শুরু করেছেন। সাক্ষী রিপনের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব পুলিশেরই। তিনি দাবি করেন, ‘আজ ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এ বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার সাক্ষ্য ছিল না। তাহলে সে শরীয়তপুর থেকে এল কেন? হামলার পেছনে অন্য কিছু আছে কি না, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
তবে আজ রিপন সরদার প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, আদালতের পিপি সাক্ষ্য জেরায় অংশ নিতে আসতে বলায় তিনি শরীয়তপুর থেকে ঢাকায় এসেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, গতকাল শনিবার ভোর সোয়া পাঁচটার দিকে তাঁতীবাজার মোড়ে সাক্ষী রিপনকে মারধর করে এক পুলিশ তাঁর কাছ থেকে ৪০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। কোতোয়ালি থানায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত শুক্রবার রাত আটটা থেকে পরদিন শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত ওই এলাকায় কোতোয়ালি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) এরশাদ আলী, কনস্টেবল আবদুল আলিম ও আনসার সদস্য মোক্তার হোসেন কর্তব্যরত ছিলেন।

বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক তাজুল ইসলাম জানান, আজ দুপুরে আদালতে রিপনের সঙ্গে কথা হয়েছে। পুলিশ মারধর করেছে বলে রিপন তাঁর কাছেও অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনাটি তিনি পিপিকে জানিয়েছেন। পরে পিপি ফোনে পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপকমিশনারকে সাক্ষী রিপনের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।
আজ ‘প্রথম আলো’য় ‘বিশ্বজিৎ হত্যা: মামলার সাক্ষীকে পুলিশের মারধর’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।