রাষ্ট্রায়াত্ত্ব গাড়ি সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান প্রগতির নির্বাচনকে ঘিরে সংঘর্ষে

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৮ জুলাই , ২০১৪ সময় ০৪:০৪ অপরাহ্ণ

প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজসীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ডে রাষ্ট্রায়াত্ত্ব গাড়ি সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজের সিবিএ নির্বাচনকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর থেকে একপক্ষের কয়েকজন প্রার্থীকে অপহরণের গুজব ছড়িয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে সিবিএ নির্বাচন শুরু হলেও ওই পক্ষের কোনো প্রার্থীকে দেখা যায়নি। তাদের কোনো এজেন্টও কেন্দ্রে উপস্থিত নেই।

তবে প্রতিপক্ষের প্রার্থীদের দাবি, পরাজয় নিশ্চিত জেনে প্রার্থীরা অপহরণ নাটক করছেন।

সংঘর্ষের ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন সীতাকুণ্ড থানার ওসি আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, সংঘর্ষের খবর শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল, কিন্তু এর আগেই উভয় পক্ষের লোকজন সরে যায়।
অপহরণের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অপহরণের কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি। নির্বাচনী ফায়দা লাভের জন্য কেউ ‍গুজব ছড়াতে পারে।’

প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ সূত্র জানায়, সিবিএ নির্বাচনে শ্রমিক লীগের হয়ে আতিক-বদরুল প্যানেল এবং শ্রমিক ইউনিয়নের হয়ে জয়নাল আবেদিন সুজা-নাসির প্যানেল নির্বাচন করছে।

নির্বাচনকে ঘিরে উভয় প্যানেলের প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে উত্তেজনা চলে আসছে।

এরই জের ধরে মঙ্গলবার ভোরে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়। আহতদের মধ্যে রাম বাহাদুর ও মামুন নামে দুইজনের অবস্থা গুরুতর।

সংঘর্ষের ঘটনার পর ঘটনাস্থলে গাড়ির ভাঙ্গা কাঁচের টুকরো পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

তবে স্থানীয়রা বলছেন, শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা একটি চাঁদের গাড়ি ও একটি মাইক্রোবাসে ঘটনাস্থলে আসলে শ্রমিক লীগের সমর্থকরা তাদের উপর হামলা চালায়। এসময় মাইক্রোবাসটি ভাংচুরের শিকার হয়।

এদিকে, এ ঘটনার পর সকাল নয়টা থেকে সিবিএ নির্বাচন শুরু হয়। তবে, নির্বাচনে জয়নাল আবেদিন সুজা ও নাসির প্যানেলের কোন প্রার্থী ও এজেন্টকে উপস্থিত দেখতে না পেয়ে তাদের অপহরণের গুজব ছড়িয়ে পড়ে। তাদের মুঠোফোন নম্বরও বন্ধ রয়েছে।

শ্রমিক লীগের সভাপতি প্রার্থী আতিক বলেন, নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয়ের ব্যাপারটি নিশ্চিত হওয়ার পর তারা ভোট কেন্দ্রে আসেননি। অপহরণের ঘটনা সাজানো নাটক। নির্বাচনকে বিতর্কিত করার জন্য এ ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

নির্বাচনের প্রিজাইডিং অফিসার শ্রম অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আবদুল বাতেন বাংলানিউজকে জানান, আগ্রাবাদ হেড অফিস এবং বাড়বকুণ্ডু কারখানা দুইটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলছে।

এর মধ্যে তার দায়িত্বে থাকা বাড়বকুণ্ড কেন্দ্রে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ৮৮টি ভোট পড়েছে। নির্বাচনে একটি অংশের কোন এজেন্ট উপস্থিত নেই।