‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ হিসেবে একে খন্দকারের শাস্তি দাবি সংসদে

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর , ২০১৪ সময় ১১:২০ অপরাহ্ণ

‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ হিসেবে একে খন্দকারের শাস্তি দাবি সংসদে১৯৭১: ভেতরে-বাইরে বইয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার অভিযোগ এনে বইটির লেখক সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী একে খন্দকারের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এমপিরা। সরকার, বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র এমপিদের পক্ষ থেকে সংসদে এ দাবি জানানো হয়। একইসঙ্গে তার লেখা বইটি বাজেয়াপ্তের দাবি জানান তারা। তারা বলেন,জাতিকে বিভ্রান্ত করতেই পরিকল্পিতভাবে এ কে খন্দকার বিকৃত ইসিহাস সম্বলিত বইটি লিখেছেন। কারও প্ররোচনায় কিংবা পরাজিত শক্তির দোসর কোন এজেন্সির টাকা খেয়ে বঙ্গবঙ্গু হত্যার পর খুনী মোশতাকের প্রতি আনুগত্য প্রকাশকারী একে খন্দকার এ ধরণের বই লিখে সংবিধান লংঘন করেছেন। কারও প্ররোচনায় কিংবা অন্য কোন নির্দেশে এ কে খন্দকার বঙ্গবন্ধুকে খাটো করার চেষ্টা করেছেন। এ জন্য তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত। তাঁরা অবিলম্বে বাজেয়াপ্তের পাশাপাশি এ ধরণের বিকৃত ইতিহাস সম্বলিত বইটি ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এ সময় স্পিকারের আসনে থাকা ডেপুটি স্পিকার এডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়া বলেন, ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের সময় আমরাও কিছুটা সম্পৃক্ততা ছিল। জাতির জনককে হত্যার পর খুনী মোশতাককে সমর্থনকারী তার বইতে কি লিখলো, তাতে জাতির কোন যায় আসে না। ৭ই মার্চ ভাষণ সম্পর্কে উনি যা লিখেছেন তা অবশ্যই জাতির সামনে অবমূল্যায়িত হবে। কেননা বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ, বাংলাদেশ মানেই বঙ্গবন্ধু। ডেপুটি স্পিকার এডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে মাগরিবের নামাজের পর সংসদ অধিবেশন শুরু হলে এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) এ কে খন্দকারের লেখা ‘ ১৯৭১ ভেতর বাইরে’ বই নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ। প্রায় দু’ঘন্টাব্যাপী অনির্ধারিত এই আলোচনায় অংশ নিয়ে লেখক এ কে খন্দকারের কঠোর সমালোচনা করে বক্তব্য রাখেন সরকারি দলের প্রবীণ নেতা শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, জাসদের মইন উদ্দিন খান বাদল ও জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশিদ।


আরোও সংবাদ