রাঙ্গুনীয়া জিয়াউর রহমানের প্রথম মাজারে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন

প্রকাশ:| সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর , ২০১৪ সময় ১০:১৬ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চট্টগ্রাম মহানগর “র উদ্যোগে ৩৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ব্যাপক কর্মসূচী পালন করেছে। সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে সকাল ১০.০০টায় নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় হতে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

র‌্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে জমিয়াতুল ফালাহ্ মসজিদের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখান হতে বিশাল গাড়ি বহর নিয়ে নেতাকর্মীরা রাঙ্গুনীয়া যান। সেখানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রথম মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন এবং দোয়া মোনাজাত করা হয়। দুপুরে ২নং গেইটস্থ বিপ্লব উদ্যোনে মহানগর বিএনপির উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও নগর বিএনপির সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন – বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে সকল জাতি, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ও পাহাড়ী-সমতল সকলে একতাবদ্ধ হয়ে বসবাস করার চেতনাকে ধারন করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের সূচনা করেছিলেন, আর এই লক্ষ্যে তিনি বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী দল গঠন করেছিলেন। সকলকে নিয়ে একতাবদ্ধভাবে দেশকে উন্নয়নের ধারায় নিয়ে যাওয়ার চিন্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান করেছিলেন।

কারণ তিনি বুঝেছিলেন জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে দেশকে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যাওয়ার একমাত্র পথ। আর বর্তমানে আমাদেরকেও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চেতনাকে ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি আরো বলেন – বাংলাদেশকে আধুনিক রাষ্ট্রে পরিনত করার লক্ষ্যে নতুন প্রজন্মকে আগামীদিনের প্রত্যয়ে গড়ে তুলতে হবে। সকলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে দেশকে সামনের দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। দলের চেয়ে দেশ বড় শহীদ জিয়া যে ধারনা দিয়েছিলেন তা বুকে ধারন করার প্রয়োজন। জনাব খসরু আরো বলেন – আওয়ামী লীগ অবৈধ ক্ষমতা ধরে রাখতে দেশে বাকশালী শাসন কায়েম করেছে। গুম-খুন, নিপীড়ন-নির্যাতন, অপহরনের মাধ্যমে দেশে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। কিন্তু দেশের জনগণ অচিরেই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এই অবৈধ সরকারের পতন ঘটিয়ে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবে ও দেশের মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম বলেন – বিএনপির রাজনীতি উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া এই দল যতবারই ক্ষমতায় এসেছে ততবারই দেশে রেকর্ড পরিমান উন্নয়ন হয়েছে। আর আওয়ামী লীগের রাজনীতি হচ্ছে লুঠপাট, সন্ত্রাস ও বাকশাল কায়েমের রাজনীতি।

মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি সামশুল আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ডাঃ শাহাদাত হোসেনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সাবেক সাংসদ বেগম রোজি কবির, উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য মাহবুবুর রহমান শামিম, মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান। আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, আলহাজ্ব এম এ আজিজ, আবুল হাশেম বক্কর, এস এম সাইফুল আলম, হারুন জামান, ইসকান্দর মির্জা, শেখ নুরুল্লাহ বাহার, নাজিমুর রহমান, শাহ আলম, কাউন্সিলর মনোয়ারা বেগম মনি, মোশারফ হোসেন দিপ্তী, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আনোয়ার হোসেন লিপু, সৈয়দ আহম্মদ, জয়নাল আবেদীন জিয়া, আলহাজ্ব সালাহউদ্দিন, নুরুল আলম রাজু, জি এম আইয়ূব খান, ফাতেমা বাদশা,

সামশুল হক, জেলী চৌধুরী, আখতার খান, আর ইউ চৌধুরী শাহিন, মনজুর আলম, সামশুল আলম, কাউন্সিলর হাসান মুরাদ, কাউন্সিলর সেকান্দর, কাউন্সিলর ডাঃ নুরুল আফছার, কামরুল ইসলাম, মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, মাহবুবুল হক, হাজী হানিফ সওদাগর, সৈয়দ শিহাব উদ্দিন আলম, জমির আহম্মদ, শাহ আলম, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন, হাজী মামুন, মাহবুব এলাহী, হাবিবুর রহমান, মহিলাদল নেত্রী রাহেলা জামান, খালেদা বোরহান, জেসমিন খানম, আখি সুলতানা, রেজিয়া বেগম বুলু, ছাত্রদল নেতা গাজী সিরাজ, বেলায়েত হোসেন বুলু, জিয়াউর রহমান জিয়া, মোশারফ হোসেন, জালাল উদ্দিন সোহেল, এইচ এম রাশেদ খানসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।