রাঙ্গামাটির নানা খবর

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১ নভেম্বর , ২০১৩ সময় ১১:৪৭ অপরাহ্ণ

রাঙ্গামাটির তবলছড়িস্থ আনন্দ বিহারে পরিচালনা কমিটি ও বিহারের দায়ক দায়িকাদের উদ্যেগে কঠিন চিবর দানোৎসব
রাঙ্গামাটির তবলছড়িস্থ আনন্দ বিহারে পরিচালনা কমিটি ও বিহারের দায়ক দায়িকাদের উদ্যেগে কঠিন চিবর দানোৎসব উদযাপিত হয়েছে। বিহার প্রাঙ্গণে আনন্দঘন ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভিয়ের মধ্যে দিয়ে কঠিন চীবরদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
আনন্দ বিহারে অধ্য ভদন্ত প্রজ্ঞানন্দ মহাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কঠিন চীবর দান উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন, রাঙ্গামাটি পরিষদের চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মানিক লাল দেওয়ান, জগৎজ্যোতি চাকমা, স্থানীয় পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গৌতম দেওয়ান, প্রাক্তন সিভিল সার্জন, ডাঃ নিহারেন্দু তালুকদার, কলা বুনিয়া বৌদ্ধ বিহারের অধ্য ভদন্ত চন্দ্র বংশ মহাথের, খাগড়াছড়ি খবং পুরিয়া বৌদ্ধ বিহারের অধ্য ভদন্ত অগ্রবংশ থের, শাক্যমনি বৌদ্ধ বিহারের আবাসিক ভিু বিমল জ্যোতি মহাথের প্রমুখ।
অনুষ্ঠান সুচীর মধ্যে ছিল, ভোরে ভিু সংঘের পানিয় দান, বিহারে বৌদ্ধ পতাকা উত্তোলন, ধর্মীয় সংগীত পরিবেশন, পঞ্চশীল গ্রহণ, বৌদ্ধ পূজা ও সংঘদানের মাধ্যমে শুরু হয় কঠিন চীবর দান। অনুষ্ঠানে ভিু সংঘকে সাধু.. সাধু.. সাধু.. ধ্বমনীতে বরণ, কঠিন চিবর উৎসর্গ, এলাকায় শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা, অতিথির ভাষন ও ভিু সংঘরা ধর্ম দেশনা দেন।

কাউখালীতে আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশকাউখালীতে আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশদেশব্যাপী বিএনপি-জামাত জোটের সন্ত্রাস হত্যা,গুম ও নৈরাজ্যর প্রতিবাদে কাউখালীতে আওয়ামীলীগ ও অংগ সংগঠনের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
আজ শুক্রবার বিকেলে কাউখালী উপজেলার পোয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে বিশাল এক বিক্ষোভ মিছিলন উপজেলার বিভিন্ন সড়ক দক্ষিণ করে স্থানীয় আজম মার্কেট প্রাঙ্গনে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
কাউখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অংসুই প্রু চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন কাউখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এরশাদ সরকার, যুগ্ন সম্পাদক সামশুদোহা চৌধুরী, বেলাল উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা কালা মিয়া, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মাঈন উদ্দিন,যুবলীগ সাধারন সম্পাদক নাজিম উদ্দিন,ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক পাইচিং মং মারমা প্রমূখ।
সভায় বক্তারা সা¤প্রতিক সময়ে কাউখালীতে বিএনপি জামাত হরতালের নামে হামলা সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে কাউখালী উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অংগ সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতা কর্মীকে মারাত্মকভাবে আহত করেছে। সভায় বক্তারা বলেছেন আর যদি কোন হামলা এবং নৈরাজ্যের সৃষ্টি করা হয় তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে। সভায় বক্তারা আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীরা আহত হওয়ার পর কাউখালী থানায় মামলা হওয়ার পরও কোন আসামীকে এখনো গ্রেফতার না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বক্তারা পুলিশ প্রশাসনের সমালোচনা করে বলেছেন আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের দায়ের করা মামলায় কোন আসামী গ্রেফতার করা না হলে পুলিশের বিরুদ্ধৌ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রাঙ্গামাটি পৌর আওয়ামীলীগরাঙ্গামাটি পৌর আওয়ামীলীগ
বিএনপি জামাতের দা-কুড়াল নিয়ে হত্যার অপরাজনীতি আওয়ামীলীগ জনগনকে সাথে নিয়ে প্রতিহত করবে। আওয়ামীলীগ নেত্রী প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা গনতন্ত্রে বিশ্বাস করে বলে বারবার বিরোধীদলের নেত্রীর সাথে আলোচনার মাধ্যমে সকল সমস্যা সমাধোনের চেষ্ঠা করেছিল। কিন্তু বিরোধী দলীয় নেত্রী সেটাকে দূর্বলতা মনে করে তাদের দোসরদের সাথে নিয়ে অব্যাহত হরতাল দিয়ে দেশে হত্যার রাজনীতি শুরু করেছে। বিএনপি-জামাতে দেশ বিরোধী এই অপরাজনীতি জনগন মানেনা বিধায় তাদের আন্দোলনে কোনরকম প্রতিক্রিয়া জনগন দেখাননি। জনগন এখনো আওয়ামীলীগের ওপর আস্থাশীল তাই জনগনকে সাথে নিয়ে আগামীতে বিএনপি-জামাতের যে কোন দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র রাজপথেই মোকাবেলা করা হবে।
আজ বিকেলে রাঙ্গামাটি পৌরসভা চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল শেষে রাঙ্গামাটি কোর্ট বিল্ডিং এলাকায় বিএনপি-জামাতের দেশ বিরোধী নৈরাজ্যের প্রতিবাদে রাঙ্গামাটি পৌর আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাঙ্গামাাটি জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার এ সব কথা বলেন। রাঙ্গামাটি পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি মোঃ সোলাইমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও রাঙ্গামাটি পৌর আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক মনছুর আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা চিংকিউ রোয়াজা, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হাজী মোঃ মুছা মাতব্বর, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী জেএফ আনোয়ার চিনু, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সাধন মনি চাকমা, জেলা শ্রমীকলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ শামসুল আলম, জেলা আওয়ামী-মৎস্যজীবিলীগের সভাপতি উদয়ন বড়ুয়া, জেলা যুবলীগের সভাপতি মোঃ আকবর হোসেন চৌধুরী, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ শাহ এমরান রোকন। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটি জেলা আওয়ামীলীগ নেতা মাহাবুবুর রহমান, রুহুল আমিন, আব্দুল মতিন, মমতাজ উদ্দীন,জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ জমির উদ্দীন, সাধারন সম্পাদক মিন্টু মারমা, রাঙ্গামাটি জেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক নূর মোহাম্মদ কাজল, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক স্মৃতি বিকাশ ত্রিপুরা, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোঃ শাওয়াল উদ্দীন, মোঃ শাহজাহান, সদর থানা যুবলীগের সভাপতি মোঃ মুছা, সাধারন সম্পাদক নতুন কুমার ত্রিপুরা, সদর থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক রিটন বড়ুয়া, জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ সাইফুল আলম সাইদুল, সদর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মো’ জামাল উদ্দীন, সাধারন সম্পাদক ক্যালভিন চাকমা, শহর ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ রাশেদুল ইসলাম, কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল জব্বার সুজন প্রমূখ।
সমাবেশে দীপংকর তালুকদার আরো বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে গনতন্ত্র যখন বারবার হোঁচট খাচ্ছিল তখন আওয়ামীলীগ গনতন্ত্রকে রার জন্য জীবন বাজি রেখে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে। আওয়ামীলীগ গনতন্ত্র রার দল আর ব্নিপি গনতন্ত্র হরনকারীর দল। এদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে। তিনি বলেন, সরকারের মেয়াদ শেষ হলে সাংবিধানিক পন্থায় দেশে নির্বাচন হবে। জনগন যাকে ভোট দেবে সেই দল মতায় আসবে। বিএনপি জানে নির্বাচনে তাদের ভরাডুবি হবে এজন্য তারা দেশে যাতে নির্বাচন চায়না, তারা চায় জিয়াউর রহমানের মতো অসাংবিধানিক শক্তির মাধ্যমে পিছনের দরজা দিয়ে মতা দখল করতে। তাদের এই অপচেষ্টা জনগন ঠিকই রুখে দিবে। স¤প্রতি রাঙ্গামাটিতে বিএনপি জামাতের মিছিল থেকে রাঙ্গামাটিতে যে নৈরাজ্য ও ভাংচুর করা হয়েছিল তার সমালোচনা করে দীপংকর তালুদার আরো বলেন, গনতন্ত্র কি, কিভাবে জনগনের জানমাল রা করে রাজনীতি করতে হয় তা আওয়ামীলীগের কাছে এসে শিখে যান। ভাংচুর নৈরাজ্য বন্ধ করেন। তা নাহলে এর পরিনাম ভালো হবেনা। আগামীতে বিএনপি জামাতের সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে তিনি সকল নেতা কর্মীদের প্রতি আহবান জানান। সমাবেশ শুরু হওয়ার আগে রাঙ্গামাটি পৌরসভা থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল রাঙ্গামাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদনি করে রাঙ্গামাটি কোর্ট বিল্ডিং চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।

যুব দিবস উপলক্ষে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদযুব দিবস উপলক্ষে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ
দেশে উগ্র জঙ্গীবাদ রুখতে যুব সমাজকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা। তিনি বলেন, যুব সামজ দেশের গর্ব যুব সমাজই পারবে দেশ থেকে উগ্র জঙ্গীবাদ ও সা¤প্রদায়িকাত রুখে দিতে। আজ ১ নভেম্বর শুক্রবার রাঙ্গামাটিতে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য ও যুব বিষয়ক আহবায়ক অভিলাষ তঞ্চঙ্গ্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর রাঙ্গামাটির উপ-পরিচালক শাহনওয়াজ, রাঙ্গামাটি জেলা ক্রীড়া অফিসার স্বপন কিশোর চাকমা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর রাঙ্গামাটির উপ-পরিচালক মোঃ সানাউল্লাহ।
চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ একটি উন্নয়ন শীল দেশ। এই দেশকে একটি অকার্যকর ও জঙ্গীবাদ রাষ্ট্রে পরিণত করতে একটি গোষ্ঠী কাজ করছে। তারা উগ্র জঙ্গীবাদকে জিয়ে রাখতে দেশের যুব সমাজকে বেঁছে নিয়েছে। যুব সমাজকে মাদক সহ নানা লোভ লালসা দেখিয়ে দেশে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী বোমাবাজীসহ সা¤প্রদায়িক স¤প্রীতি নষ্ট করছে। তিনি বলেন, মাদক ও জঙ্গীবাদকে ছেড়ে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়তে আমাদের যুব সমাজকে আরো বেশী ভূমিকা রাখতে হবে।
চেয়ারম্যান আরো বলেন, যুবকরাই পারে দেশকে একটি উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তর করতে। লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশের খাদ্যঘাটতি পুরণ করতে হবে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ২০২১ বাস্তবায়ণ করতে যুব সমাজকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এগিয়ে আসার ও আহবান জানান।
এর আগে রাঙ্গামাটি জেলা শিল্পকলা একাডেমী প্রাঙ্গন থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যাীলি বের করা হয়। র‌্যালীর নেতৃত্ব দেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা। এসময় রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
র‌্যালীটি রাঙ্গামাটির প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এসে জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এসে শেষ হয়।
আলোচনা সভা শেষে রাঙ্গামাটি জেলার ৮জন জাতীয় পর্যায়ে পুরষ্কার প্রাপ্তদের মাঝে শুভেচ্ছা উপহার ও সনদপত্র বিতরণ করা হয় এবং ৯জন যুব উন্নয়ন হতে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত যুবক ও যুবতীদের মাঝে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও বিভিন্ন গ্রেডে প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা।

কাউখালীতে স্যানিটেশন মাস উপলক্ষে র‌্যালী
কাউখালীতে স্যানিটেশন মাস উপলক্ষে র‌্যালী“২০১৩ সাল সবার জন্য স্যানিটেশন” এই স্লোগানকে সামনে রেখে রাঙ্গামাটির কাউখালীতে বিস্তারিত কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে জাতীয় স্যানিটেশন মাস উদ্যাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বর্ন্যাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। গত ৩১ অক্টোবর সোমবার সকাল এগারটায় উপজেলার ঘাগড়া বাজার থেকে এক র‌্যালী ঘাগড়ার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কাউখালী উপজেলা পরিষদের আয়োজনে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহযোগীতায় এ র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থুইমং মারমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, কাউখালী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংচাপ্র“ মারমা। আলোচনা সভায় অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন কাউখালী উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান অজুর্ন মনি চাকমা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী অছিউর রহমান, বেতবুনিয়া মডেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সামশুদ্দোহা চৌধুরী, ঘাগড়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন খোকন, আব্দুল মোতালেব মেম্বার, শান্তিমনি মেম্বার, সফি মেম্বার প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, স্যানিটেশন দিবসটি উদযাপনের মূল লক্ষ হল স্বাস্থ্য সম্মত ল্যাট্রিন নিশ্চিত করে সুস্থ সুন্দর রোগমুক্ত জীবন যাপন করা। বক্তারা বলেন, সরকার স্বাস্থ্য সম্মত স্যানিটেশনের জন্য যে রিং স্রাব দিয়েছে সেগুলো সঠিক পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। সকলকে স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য সম্মত ল্যাট্রিন ব্যবহার করে অন্যদের মাঝেও সচেতনতা সৃষ্টি করার আহবান জানান। আলোচনা সভা শেষে ঘাগড়া ইউনিয়নের ৩০ পরিবারের মাঝে রিং স্লাব বিরতণ করা হয়।


আরোও সংবাদ