রাঙামাটি জেলার ট্রাক টার্মিনালে বসেছে একমাত্র পশুর হাট

প্রকাশ:| শনিবার, ২৬ আগস্ট , ২০১৭ সময় ০৫:৫৭ অপরাহ্ণ

ঈদুল আজহার বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। আর এ ঈদ উপলক্ষে রাঙামাটিতে বসেছে কোরবানির পশুর হাট। প্রতি বছর জেলার দুই থেকে তিনটি স্থানে বসলেও এবার জেলার ট্রাক টার্মিনালে বসেছে একমাত্র পশুর হাট।

 

শনিবার ছিলো হাটের প্রথম দিন। এদিন সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে শত শত গরু-ছাগল হাটে আসতে দেখা গেছে। শনিবার সকাল থেকে সরেজমিনে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

 

গরু ব্যবসায়ী নুরুল আমিনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি লংগদু মাইনি থেকে ৬০টি গরু এবং ১০টি ছাগল নিয়ে হাটে এসেছি। সকাল গড়িয়ে বিকেল হয়ে গেলো এখনও কোনো ক্রেতার দেখা মেলেনি। আজকে প্রথম দিন তাই হয়তো এমন হচ্ছে। আশা করি আগামী দুই তিনদিনের মধ্যে হাট জমে উঠবে।

 

হাটে নিয়ে আসা গরু-ছাগলের দাম জানতে চাইলে তিনি বলেন, গরুগুলোর দাম ৫০ থেকে একলাখ টাকার মধ্যে। আর ছাগল ১৫-২৫ হাজার টাকা।

 

গরু ব্যবসায়ী নুরুল আমিনের সাথে কথা বলার সময় পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন আরেক গরু ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শফিক।

 

নুরুল আমিনের কথার রেশ ধরেই তিনি বলেন, রাঙামাটির মূল ক্রেতা হলো গাছ ব্যবসায়ীরা। গত কয়েকদিন আগে পাহাড় ধসের কারণে গাছ ব্যবসা বন্ধ ছিলো। তাই এবার গরু বিক্রি নিয়ে বড় চিন্তায় আছি।

 

কোথা থেকে এসেছেন এবং পশুর দাম কেমন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি সুবলং থেকে ৮টি গরু নিয়ে এসেছি। দাম ৬০- ৯০ হাজার টাকার মধ্যে।

 

হাটে আসা গরুগুলো দেখছিলেন বেসরকারি চাকরিজীবী হাসান জাবেদ। পরিচয় দিয়ে কথা হলো তার সাথে। কথা বলার একপর্যায়ে তিনি বলেন, আজকেতো প্রথম দিন। হাটের কি অবস্থা তা দেখতে এলাম। এখনই কিনছি না আরও দুই-একটা দিন দেখবো। তারপর একটা সিদ্ধান্ত নেবো।

 

হাটের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে ইজারাদার সাওয়াল উদ্দিনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার নিরাপত্তায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া জালটাকার লেনদেন ঠেকাতে চারটি যন্ত্র আনা হচ্ছে। আগামী দুই একদিনের মধ্যে সেগুলো হাটে আনা হবে।

 

এবার প্রতি হাজারে হাসিল ২০ টাকা ধার্য করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।