রাঙামাটির নানিয়ারচরে বাগান ধ্বংস

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর , ২০১৪ সময় ১০:১০ অপরাহ্ণ

রাঙামাটি প্রতিনিধিঃ রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলায় স্থানীয় বাঙ্গালীদের ১২একর আনারস বাগানের সাড়ে ৪লক্ষ গাছ সম্দ্ধ ফলসহ আনারস বাগান কেটে সম্পূর্ন নষ্টকরে দেওয়াকে কেন্দ্র করে নানিয়ারচরের চৌদ্দ মাইল এলাকায় সকালে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগের ঘটনায় কয়েকটি দোকানসহ পাহাড়ীদের ১৩টি বসতঘর পুড়ে গেছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়,গত ১৫ডিসেম্বর রাতে বাঙ্গালীদের ১২একর জমিতে চাষ করা সাড়ে চার লক্ষ ফলসহ আনারস চারা ও ২০হাজার সেগুন গাছ কে বা কারা কেটে ফেলে সম্পূর্নরুপে বাগানের পলন ন্ষ্ট করে দেয়। আজ মঙ্গলবার সকালে চাষীরা বাগানে গিয়ে দেখে আনারস বাগান ও সেগুন বাগান কেটে ফেলা হয়েছে। বাগানের ধ্বংসস্পূত দেখে বিক্ষুদ্ধ বাঙ্গালীরা তৎক্ষণাৎ সেখানে বিক্ষোভ করে,এছাড়া সকালের দিকে দলবদ্ধ হয়ে এলাকার কয়েকটি পাহাড়ী দোকান ও বসত ঘরে অগ্নি সংযোগ করে। সংঘর্ষের ঘটনায় খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
রাঙামাটির নানিয়ারচরে বাগান ধ্বংস, বাড়ীঘরে আগুনএ ঘটনার খবর পেয়ে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোঃ মোস্তফা কামাল,জেলা পুলিম সুপার আমেনা বেগম,সেনাবাহিনীর নানিয়ারচর জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল সোহেল আহমেদ,মেজর জুলকার নাইন,জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ,নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান এড.শক্তিমান চাকমা প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে ঘটনার তদন্তে উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমাকে আহবায়ক করে ১১সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত করে ঘটনার বিষয়ে রিপোর্ট প্রদানের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশ প্রদান করা হয়। অন্যদিকে এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে তাৎক্ষনিক সহয়াতার হিসেবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়। এছাড়া প্রতিপরিবারকে ১বান ডেউটিন,২টি করে কম্বল প্রদান করা হয়। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোঃ মোস্তফা কামাল। এ সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকায় পাহাড়ী-বাঙ্গালীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে সব ধরনের সংঘাত এড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনশৃংখলা বাহিনীকে সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে।