রাঙামাটিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল , ২০১৫ সময় ০৭:৪৪ অপরাহ্ণ

এম.নাজিম উদ্দিন,রাঙামাটিঃ“নিরাপদ পুষ্টিকর খাবার সুস্থ জীবনের অঙ্গীকার”এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে রাঙামাটিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার রাঙামাটি তবলছড়ি জামে মসজিদের সামনে থেকে র‌্যালীটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। র‌্যালী শেষে সিভিল সার্জন কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিভিল সার্জন (ভাঃ) ডাঃ রুহী বানানীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা। বিশেষ অতিথি ছিলেন, রাঙামাটি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ মোস্তফা জামান,মেডিকেল অফিসার ডাঃ বিনোদ শেখর চাকমা, রাঙামাটির ইউএনএফপিএ’র প্রতিনিধি ডাঃ হেলেন চাকমা প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সিভিল সার্জন অফিসের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা সুপতি রঞ্জন চাকমা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা বলেন,বর্তমান সরকার জনগণের সার্বিক স্বাস্থ্যের মানোন্নয়নে অঙ্গীকারাবদ্ধ। খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ ও নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। তাই বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ অনেকাংশে সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন,উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ,স্ট্রোক,ক্যান্সার,ডায়বেটিস জাতীয় অসংক্রামক রোগ হতে রক্ষায় খাদ্যভাস পরিবর্তন,নিয়মিত শরীরচর্চা জরুরি। পাশাপাশি কোমল পানীয়,ফাষ্টফুড ও জাঙ্কফুড জাতীয় খাবার গ্রহণ হতে বিরত থাকার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। তিনি উচ্চ রক্তচাপসহ সকল অসংক্রামক রোগের জন্য জীবনাচারের পরিবর্তন ও খাদ্যাভ্যাস কে দায়ী করেন। তাই তিনি এ সকল রোগ নিয়ন্ত্রণে ফাষ্টফুড,জাঙ্কফুড,কোমল পানীয় বর্জন ও শারীরিক পরিশ্রমের পরামর্শ প্রদান করেন। তিনি বলেন,ক্রুটিপূর্ন খাদ্যাভাস পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবেশগত কারণে সৃষ্ট সমস্যাগুলোর দিকে লক্ষ দিতে হবে। যানবাহনের বিষাক্ত ধোঁয়া,শব্দ দূষণ আমাদের পরিবেশ নষ্ট করছে। এ সকল পরিবেশ বিনষ্টকারী বিষয়গুলো উচ্চ রক্তচাসহ অন্যান্য অসংক্রামক সৃষ্টিতে সহায়ক। কিছু নিয়ম-কানুন ও জীবনাচারের পরিবর্তন এবং জাঙ্কফুড,ফাষ্টফুড,কোমল পানীয় ও এ্যালকোহল জাতীয় খাবার বর্জনের মাধ্যমে এ সকল কঠিন রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যদ্রব্য গ্রহনের বিষয়ে নিজেদের সচেতনতার পাশপাশি অন্যকেও সচেতনতা সৃষ্টি তিনি এ সকল রোগ প্রতিরোধে সবাইকে কোমল পানীয়,জাঙ্কফুড,ফাষ্টফুড বর্জন ও শারীরিক পরিশ্রমের পরমর্শ দেন।