৯০ লিটার মদসহ দুই যুবতি ও ধর্ষণ মামলায় ভন্ড বৈদ্য আটক

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১ মে , ২০১৪ সময় ১১:০৬ অপরাহ্ণ

শফিউল আলম, রাউজান প্রতিনিধিঃচট্টগ্রামের রাউজানে ৯০ লিটার বাংলা মদসহ দুই যুবতি আটক করেছে পুলিশ। গত বুধবার রাতে মদ পাচার হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের দুজনকে উপজেলার নোয়াপাড়া কচুখাইন গ্রাম থেকে তাদের বহনকারী একটি অটোরিক্সাকে তাড়া করে আটক করা হয়। এসময় অটোরিক্সা চালক পালিয়ে যায় বলে জানায় পুলিশ। নোয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির কনেস্টেবল রুবেল, বলেন, বুধবার রাতে নোয়াপাড়া পাড়া এলাকাদিয়ে মদ নিয়ে দুই যুবতি শহরের দিকে যাচ্ছেন এমন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা পূর্ব থেকে পথেরহাট বাজারে অবস্থান নিই। পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই দুই মহিলার বহনকারী সিএনজি অটোরিক্সাটি দ্রুত গতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টার করলে সামহালদার পাড়া এলাকার লোকজনের সহায়তায় কচুখাইন গ্রামে ধাওয়া করে তাদের আটক করি। আটকৃত দুই যুবতী কাছ থেকে ৯০ লিটার মদ আটক করা হয়। মদগুলো তারা বাঙ্গালখালী এলাকা থেকে নিয়ে এসে শহরে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছিল। আটককৃত দুই যুবতির নাম-১) মুন্নি আকতার (২৬), স্বামী- মৃত রহামান। গ্রামের বাড়ী ভোলা জেলার দৌলাত খান উপজেলায়। ২) সাথি আকতার (২০), স্বামী- হোসেন, জেলা-চান্দপুরের হাইমচর উপজেলায়। রাউজান থানার ওসি প্রদীপ কমার দাশ বলেন, গত বৃহষ্পতিবার দুপুরে রাউজান থানা পুলিশ মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দিয়ে আটককৃতদের কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

রাউজানে এক গৃহবধুকে অপহরণ করে নিয়ে আটক
রেখে ধর্ষণ করার মামলায় ভন্ড বৈদ্য সুজন বড়য়া ধনা বৈদ্য গ্রেফতার করেছে পুলিশ

শফিউল আলম, রাউজান প্রতিনিধিঃ রাউজান পৌর এলাকার পুর্ব গহিরা এলাকার সিএনজি চালক আলমগীর রোগের চিকিৎসা করতে স্মরণাপন্ন হয় ভন্ড বৈদ্য সুজন বড়–য়া ধনা বইদ্য । রাউজান পৌর এলাকার ৪ নং ওয়ার্ডের জানালী হাটের পার্শ্বে মুকুল ডাক্তারের বাড়ীকে বাসা ভাড়া নিয়ে ভন্ড বৈদ্য সুজন সুজন বড়য়াবড়য়া ধনা বইদ্য অস্তানা গড়ে তোলেন। নিজেকেই বৈদ্য পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রচারণা চালায় । জানালী হাটের পার্শ্বে মুকুল ডাক্তারের বাড়ীকে বাসা ভাড়া নিয়ে ভন্ড বৈদ্য সুজন বড়–য়া ধনা বইদ্যের আস্তানায় বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা, জীন, ভুত, পেতিœর কবল থেকে মানুষকে বাচাঁনোর নাম করে বসানো হয় আসন । বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা, জীন, ভুত, পেতিœর কবল থেকে মানুষকে বাচাঁনোর নাম করে ভন্ড বৈদ্য সুজন বড়–য়া ধনা হাতিয়ে নেতেন হাজার হাজার টাকা । ভন্ড বৈদ্য সজনের কাছে চিকিৎসা নিতে আসা সুন্দরী মহিলাদেরকে পাটিয়ে দেহ ভোগ করতো । রাউজান পৌর এলাকার পুর্ব গহিরা এলাকার সিএনজি চালক আলমগীর তার কাছে চিকিৎসা করতে আসার পর তাকে ঝাড়ফুক জীনের আছর ও বান টোনা কাটার নাম করে হাতিয়ে বিভিন্ন দপে দপে লক্ষাধিক টাকা । ভন্ড সুজনের চোখ পড়ে সিএনজি চালক আলমগীরের সুন্দরী স্ত্রী রুমানা আকতারের দিকে । রুমানা আকতারকে বিভিন্ন সময়ে কাছে নিয়ে ঝাড়ফুক তাবিজ দিতেন বলে জানান এলাকার লোকজন । এক সন্তানের জননী রুমানা আকতার জানান, গত ২৯ মার্চ ভন্ড বৈদ্য সুজন রুমানাকে কৌশলে ডেকে নিয়ে সিএনজি বেবী টেক্সীতে উঠিয়ে রুমানার মুখে রুমাল দেওয়ার পর রুমানা অজ্ঞান হয়ে যায় । অজ্ঞান অবস্থায় রুমানাকে খাগড়াছড়ি জেলার মানিক ছড়ি এলাকায় নিয়ে আটক করে ভন্ড বৈদ্য সুজন ধনা বৈদ্য রুমানাকে ধর্ষন করেন । পরে রুমানাকে মানিকছড়ি থেকে গোপনে চট্টগ্রামের চান্দঁগাও এলাকায় নিয়ে গিয়ে একটি বাসায় আটক করে ভন্ড বৈদ্য সুজন ধর্ষন করেন বলে জানান, গৃহবধু রুমানা আকতার । চান্দঁগাও এলাকার মধ্যে আটক রাখা অবস্থায় রুমানার স্বামী আলমগীরকে ফোন করে একলক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবী করে করে ভন্ড বৈদ্য সুজন । মুক্তিপনের টাকা না দিলে এ ব্যাপারে বাড়াবাড়ী করলে রুমানা ও রমিানার সঙ্গে থাকা চার বৎসরের কন্যা সন্তান আলোকে হত্যা করা হবে হুমকি প্রদান করেন বলে জানান, রুমানা আকতার। আটক রাখা অবস্থায় রুমানা ও তার কন্য সন্তানকে মারধর করতো বলে জানান, রুমানা আকতার । এদিকে স্ত্রী রুমানা ও কন্যা সন্তান আলোকে হারিয়ে সিএনজি চালক আলমগীর হতবাক হয়ে পড়েন । বিষয়টি সিএনজি চালক আলমগীর স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম চৌধুরী সহ এলাকার লোকজনকে জানালে । পৌর কাউন্সিলর নজরুল ইসলাস চৌধুরী ও এলাকার লোকজন ভন্ড বৈদ্য সুজন বড়–য়ার ছেলে রিপন বড়–য়াকে চাপ প্রয়োগ করলে চান্দঁগাও আটক অবস্থা থেকে গৃহবধু রুমানা আকতার ও তার কন্যা সন্তানকে এনে দেয় রিপন বড়–য়া । আটক অবস্থা থেকে ফিরে এসে রুমানা আকতার ভন্ড সুজন বড়ূয়া ধনা বৈদ্যের নির্মম নির্যাতনের কথা বললে এলাকার মানুষ বিক্ষুদ্ব হয়ে উঠেন ্ । গত পহেলা মে বৃহস্পতিবার ভন্ড সুজন বড়–য়া প্রকাশ ধনা বৈদ্য (৫০) বিরুদ্বে নির্যাতনের শিকার গৃহবধু রুমানা আকতার বাদী হয়ে অপহরণ করার পর আটক রেখে ধর্ষনের ঘটনার ব্যাপারে রাউজান থানায় মামলা করেন । মামলায় ভন্ড সুজন বড়–য়া প্রকাশ ধনা বৈদ্যকে সহায়তা করার অভিযোগ করে ভন্ড সুজন বড়–য়া প্রকাশ ধনা বৈদ্য (৫০) এর ছেলে রিপন বড়–য়া (২০) একই মামলায় আসামী করা হয় । রাউজান থানা পুলিশ রুমানা আকতারের মামলা পেয়ে এলাকার লোকজনের সহায়তায় ভন্ড সুজন বড়–য়া প্রকাশ ধনা বৈদ্য (৫০) ও তার ছেলে রিপন বড়–য়া (২০) কে গত পহেলা মে গ্রেফতার করেন। ভন্ড সুজন বড়–য়া প্রকাশ ধনা বৈদ্য ফটিকছড়ি উপজেলার বৃন্দাবন এলাকার মৃত দেবেন্দ্র লাল বড়–য়ার পুত্র । গত চার বৎসর ধরে ভন্ড সুজন বড়–য়া প্রকাশ ধনা বৈদ্য রাউজান পৌর এলাকার জানালী হাটের পার্শ্বে মুকুল ডাক্তারের বাড়ীতে ভাড়া বাসা নিয়ে বৈদ্য সেজে এলাকার লোকজন থেকে চিকিৎসা জীন, ভূত পেতিœর আছর থেকে রক্ষা করার নামে এলাকার লোকজনের সাথে ভন্ডামী, প্রতারণা ও হাজিরাতে চিকিৎসা করার নামে তার কাছে যুবতী মহিলাদের সাথে অনৈতিক কাজ করতো বলে এলাকার লোকজন জানিয়েছেন । রাউজান থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশঁ বলেন, গৃহবধু রুমানা আকতারের মামলা রের্কড করা হয়েছে । মামলার আসামী ভন্ড প্রতারক সুজন বড়–য়া ও তার ছেলে রিপন বড়–য়াকে এলাকার লোকজনের সহায়তায় গ্রেফতার করার পর আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে