প্রাণ ফিরে পেল ঐতিহাসিক নদীমপুর দিঘি

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| সোমবার, ১৬ এপ্রিল , ২০১৮ সময় ০৫:২৭ অপরাহ্ণ

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি ঃ

রাউজান উপজেলার ১৫ নং নোয়াজিশপুর ইউনিয়নের নদীমপুর এলাকায় দুইশত বৎসর পুর্বে খনন করা ৪ একর ৮০ শতক আয়তনের নদীমপুর দিঘির পানিতে এলাকার লোকজন গোসল করতো । দিঘির পানি পান করতো এক সময়ে । দিঘির পানি দিয়ে এলাকার লোকজন তাদের পরিবারের সদস্যদের রান্নার কাজ করতো । ২শত বৎসরের পুরাতন নদীম পুর দিঘিটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় দিঘির পানি এলাকার লোকজন ব্যবহার করতে পারতোনা । দিঘিটি ভরাট হয়ে দিঘির পাড়ে ও দিঘির ভেতরে বৃক্ষাদি উঠে দিঘিটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে উঠে । এলাকার লোকজন দিঘির শতাধিক পরিবারের মালিকগনকে ডেকে নোয়াজিশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরোয়ার্দি সিকদার বৈঠক করে । দিঘির মালিকেরা সকলেই মিলে দিঘিটি খনন করা হয় । ২শত বৎসরের পুরাতন নদীমপুর দিঘিটি খনন করার পর দিঘিটি প্রাণ ফিরে পেল । নোয়াজিশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরোয়ার্দি সিকদার বলেন, নদীমপুর দিঘিটি ভরাট হয়ে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় এলাকার সৌন্দর্য হারিয়েছে । দিঘির মালিকদের সাথে বৈঠক করে দিঘিটি খনন করা হয় । দিঘিটি খনন করার পর দিঘিটির চার পার্শ্বে ফল গাছ ও ফুলের চারা রোপন করা হবে । দিঘির মধ্যে এলাকার লোকজন এসে গোসল ও বসে আরাম করার জন্য পাকা ঘাট নির্মান করা হবে । নদীমপুর দিঘিটির বিপরিতে রয়েছে ইউনুছ আলমাস স্কুল এন্ড কলেজ, নদীমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় । স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী সহ এলাকার লোকজন এসে দিঘিতে এসে বিনোদন করার জন্য দিঘির পাড়ে ফল ও ফুলের বাগান গড়ে তোলা হবে । এলাকার লোকজন জানান, নদীম পুর দিঘিটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় দিঘিটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে । দিঘিটি খনন করায় এলাকার লোকজন দিঘির পানিতে গোসল ও পানি ব্যবহার করতে পারবে । দিঘিটি খনন করায় এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্বি পেয়েছে । নদীম পুর দিঘি খনন করার সময়ে দিঘির পাড় নির্মান করে দিঘি থেকে খনন করা মাটি দিয়ে । দিঘির পাড়ের সাথে দিঘির চার পার্শ্বে চলাচলের রাস্তা নির্মান করা হয় । এলাকার লোকজন আরো জানান গত কয়েক বৎসরে রাউজানে অনেক পুকুর জলাশয় ভরাট করে আবাসিক ও বাণ্যিজিক ভবন নির্মান করা হয়েছে । নদীমপুর দিঘি ভরাট না করে এলাকার ্ঐতিহ্য রক্ষায় দিঘির মালিকেরা দিঘিটি খনন করে এলাকার লোকজনের ব্যবহারের উপযোগী করে দেয় । খনন করা নদীমপুর দিঘিতে মালিকরা সকলেই মিলে মাছ চাষ করবেন বলে জানান এলাকার বাসিন্দ্বা আলী মেহেদি রাজু ।