রাউজানে নিহত ফখরুল’র দাফন সম্পন্ন, এলাকায় বিক্ষোভ

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| রবিবার, ২১ অক্টোবর , ২০১৮ সময় ১১:৩৭ অপরাহ্ণ

শফিউল আলম, রাউজান প্রতিনিধিঃ রাউজানের গহিরায় সাবেক স্ত্রী ও শ্বাশুড়ীর হামলায় নিহত ফখরুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন এলাকায় বিক্ষোভ । রাউজানের গহিরায় সাবেক স্ত্রী উম্মে হাবিবা মায়া ও তার মাতা রাশেদ আকতার ভাড়টিয়া লোকজন দিয়ে উম্মে হবিবার সাবেক স্বামী প্রবাসী ফখরুল ইসলামকে ফুসলিয়ে ডেকে নিয়ে যায়। গত ১৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্দ্ব্যায় রাউজানের গহিরা জনতা ব্যাংকের পেছনে আবু তাহের ভবনের তিন তলায় ভাড়া বাসায় প্রবাসী ফখরুল ইসলামকে ডেকে নেওয়ার পর তাকে জবাই করে হত্যার প্রচেষ্টা চালায় । সাবেক স্ত্রী উম্মে হাবিবা মায়া ও তার মাতা রাশেদ আকতার ভাড়টিয়া লোকজন এঘটনাকে ভিন্ন কাতে প্রবাহিত করার জন্য ভাড়া বাসার গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন লাগিয়ে দেয় । আগুন লাগিয়ে দিয়ে বাসায় আগুন লেগেছে মর্মে শোর চিৎকার করলে এলাকার লোকজন দৌড়ে এসে ভবনের আগুন নেভাতে আসলে দেখতে পায় ঘরের মধ্যে প্রবাসী ফকরুল ইসলামের রক্ত্াক্ত দেহ পড়ে রয়েছে । এলাকার লোকজন প্রবাসী ফখরুল ইসলামকে মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্বার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় । মারাত্বক আহত অবস্থায় প্রবাসী ফখরুল ইসলামকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় । গত ২০ অক্টোবর শনিবার সন্দ্ব্যায় প্রবাসী ফখরুল ইসলাম মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে । প্রবাসী ফখরুল ইসলামের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে গত ২০ অক্টোবর রাউজানের গহিরায় প্রবাসী ফখরুল ইসলামের খুনিদের ফাসীর দাবীতে এলাকার লোকজন বিক্ষোভ মিছিল করে। ২১ অক্টোবর রবিবার বিকালে ফখরুল ইসলামের লাশ ময়না তদন্ত শেষে রাউজানের গহিরায় নিয়ে আসলে প্রবাসী ফখরুল ইসলামের লাশ নিয়ে এলাকার লোকজন খুনিদের ফাসীর দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করে । প্রবাসী ফখরুল ইসলামের ১ম জানাজার নামাজ রাউজানের গহিরা হাইস্কুল মাঠে পরে তার বাড়ী রাউজানের গহিরা মোবারক খীল এলাকায় ২য় জনাজার নামাজ অনুষ্টিত হয় জানাজার নামাজ শেষে প্রবাসী ফখরুল ইসলামের লাশঁ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় । প্রবাসী ফখরুলের পিতা তাজুল ইসলাম বলেন আমার ছেলে ফখরুল ইসলামের সাথে রাউজানের গহিরা দলই নগর এলাকার প্রবাসী আবুল বশর বাবুলের কন্যা উম্মে হাবিবা মায়া কে বিয়ে করে মধ্যপ্রাচ্যে চলে যায় । আমার পুত্র ফখরুল ইসলাম মধ্যপাচ্যে চলে গেলে উম্মে হাবিবা মায়া অপর যুবকের সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে । এই কারনে আমার পুত্র ফখরুল ইসলাম দেশে এসে উম্মে হাবিবাকে রাউজান পৌরসভার প্যানেল মেয়র বশির উদ্দিন খানের সমঝোতায় উম্মে হাবিবাকে তালাক দেয় । এঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার পুত্র প্রবাসী ফখরুল ইসলাম কে ডেকে নিয়ে কৌশলে জবাই করে হত্যার প্রচেষ্টা চালায়। মারাত্বক আহত অবস্থায় আমার পুত্র ফখরুল চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎধিন অবস্থায় মারা যায় । আমার পুত্র ফখরুল ইসলামের খুনিদের ফাসীঁর দাবী জনাচ্ছি । রাউজান থানার ওসি কেপায়েত উল্ল্রাহ বলেন, ঘটনার ব্যাপারে প্রবাসী ফখরুল ইসলামের ভাই নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে রাউজান থানায় মামলা দায়ের করে । মামলায় ফখরুল ইসলামের সাবেক স্ত্রী উম্মে হাবিবার মায়া, শ্বাশুড়ী রাশেদা আকতার সহ চারজনের নাম উল্লেখ করা হয় আরো অজ্ঞাতনামা ৫জনকে আসামী করা হয় । ঘটনার পর পর নিহত ফকরুল ইসালামের সাবেক স্ত্রী উম্মে হাবিবা মায়া ও শ্বাশুড়ী রাশেদা আকতারকে পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতে সোর্পাদ করে বলে পুলিশ জানায় ।