রাউজানের দুগম পাহাড়ী লাকায় ব্যাপক সব্জি উৎপাদন

প্রকাশ:| রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর , ২০১৩ সময় ০৮:১২ অপরাহ্ণ

রাউজানের দুগম পাহাড়ী এলাকা বৃন্দাবন পুর, বৃক্ষবানু পুর, জানিপাধর এলাকায় ব্যাপক তরি তরকারী, শাক সব্জি, ফল উৎপাদন করে আসছে এলাকার কৃষকেরা ।

bagonশফিউল আলম ,নিউজচিটাগাং২৪.কম।। রাউজান উপজেলার ১ নং হলদিয়া ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ী এলাকা বৃন্দাবন পুর, বৃকবানুপুর, জানিপাথর, গলাচিপা, ওযাহেদ্যাখীল, হলদিয়া উত্তর সর্তা. এয়াসিন নগর. রাধামাধবপুর, ডাবুয়া ইউনিয়নের পশ্চিম ডাবুয়া, কেউকদাইর. লাঠিছড়ি, রামনাথপাড়া, পুর্ব ডাবুয়া, সুড়ঙ্গা. হিংগলা, কলমপতি, হাসান খীল, দক্ষিন হিংগলা এলাকায় পাহাড় ও টিলা ফসলী জমিতে ও রাউজান পৌর এলাকার পুর্ব রাউজান, ঢালার মুখ, শরীফ পাড়া, সুলতান পুর কাজী পাড়া এলাকার ফসলী জমিতে শীতকালীন মৌসুমে বাধাঁকপি, ফুলকপি, মুলা, আলু মরিচ, মিষ্টি আলু, ক্ষিরা, বাঙ্গি, তরমুজ, শসা, বেগুন এর চাষাবাদ করে এলাকার কৃষকেরা । বর্ষার মৌসুমে রাউজান উপজেলার ১ নং হলদিয়া ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ী এলাকা বৃন্দাবন পুর, বৃকবানুপুর, জানিপাথর, গলাচিপা, ওযাহেদ্যাখীল, হলদিয়া উত্তর সর্তা. এয়াসিন নগর. রাধামাধবপুর, রাউজান উপজেলার সীমান্তবর্তী রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার ডাবুয়া পাড়া, চৌধুরী পাড়া, কচু পাড়া, এলাকার পাহাড় ও টিলা ভুমিতে, ফসলী জমিতে কাকরল, কছু, বেগুন, বরবটি, ঢেড়শ,শসা, ধন্যাপাতা আদা, হলুদ এর চাষাবাদ করেন এলাকার কৃষকেরা । রাউজান উপজেলার ১ নং হলদিয়া ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ী এলাকা বৃন্দাবন পুর, বৃকবানুপুর, জানিপাথর, গলাচিপা, ওযাহেদ্যাখীল, হলদিয়া উত্তর সর্তা. এয়াসিন নগর. রাধামাধবপুর এলকায় পাহাড় ও টিলা ভুমিতে তর তরকারী শাক সব্জি ক্ষেতের চাষাবাদ ছাড়া ও কাঠাল, আম, জাম, পেঁেপে, আখ উৎপাদন করে কৃষকেরা । রাউজান উপজেলার ১ নং হলদিয়া ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ী এলাকা বৃন্দাবন পুর, বৃকবানুপুর, জানিপাথর, গলাচিপা, ওযাহেদ্যাখীল, হলদিয়া উত্তর সর্তা. এয়াসিন নগর. রাধামাধবপুর, রাউজান উপজেলার সীমান্তবর্তী রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার ডাবুয়া পাড়া, চৌধুরী পাড়া, কচু পাড়া, এলাকার পাহাড় ও টিলা ভুমিতে, ফসলী জমিতে উৎপাদিত তরি তরকারী ও ফল রাউজানের বিভিন্ন হাট বাজারে বিক্রয় করে কৃষকেরা । ক্ষেতের জমিতে গিয়ে রাউজানের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা কৃষকের কাছ থেকে তাদের উৎপাদিত তরি তরকারী ও ফল ক্রয় করে নিয়ে এসে রাউজানের বিভিন্ন হাট বাজারে বিক্রয় করে ব্যবসায়ীরা । রাউজান উপজেলার ১ নং হলদিয়া ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ী এলাকা বৃন্দাবন পুর, বৃকবানুপুর, জানিপাথর, গলাচিপা, ওযাহেদ্যাখীল, হলদিয়া উত্তর সর্তা. এয়াসিন নগর. রাধামাধবপুর, রাউজান উপজেলার সীমান্তবর্তী রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার ডাবুয়া পাড়া, চৌধুরী পাড়া, কচু পাড়া, এলাকার পাহাড় ও টিলা ভুমিতে, ফসলী জমিতে উৎপাদিত তরি তরকারী ও ফল রাউজানের চাহিদার অধেকাংশ পুরণ করেন বলে ব্যবসায়ী নুরুল আবছার জানান । রাউজানের দুর্গম পাহাড়ী এলাকা বৃন্দাবন পুর এলাকার বাসিন্দা মোঃ জামাল পাশা জানান, সেই সহ এলাকার ত্রিশ জন কৃষক সারা বৎসরই তরি তরকারী ক্ষেতের চাষাবাদ করেন । তারা কঠোর পরিশ্রম করে উৎপাদন করেন তরি তরকারী, শাক সব্জি, ফল। কৃষক জামাল পাশা বৃন্দাবন এলাকায় ২০ শতক জমিতে বারমাসী জাতের বেগুনের চাষাবাদ করেছেন । ২০ শতক জমিতে চাষাবাদ করতে তার খরচ হয়েছে দশ হাজার টাকা । কৃষক জামাল পাশা তার বেগুন ক্ষেত থেকে এই পর্যন্ত চল্লিশ হাজার টাকার বেগুন বিক্রয় করেছেন । বেগুন ক্ষেত থেকে আরো পঞ্চাশ হাজার টাকার বেগুন ব্ক্রিয় করতে পারবে বলে কৃষক জামাল পাশা আশা করছেন । কৃষক জামাল পাশা বেগুন ক্ষেতের চাষাবাদের পাশাপাশি ২০ শতক জমিতে কাকরল ক্ষেতের চাষাবাদ করেছে । কাকরল ক্ষেতের চাষাবাদে কৃষক জামালের খরচ হয়েছে ছয় হাজার টাকা । কৃষক জামাল পাশার ক্ষেত থেকে এই পর্যর্ন্ত পায়ত্রিশ হাজার টাকার কাকরল বিক্রয় করেছেন । কাকরল ক্ষেত থেকে আরো বিশহাজার টাকার কাকরল বিক্রয় করতে পারবে বলে কৃষক জামাল পাশা আশা করছেন । রাউজানের দুর্গম পাহাড়ী এলাকার বাসিন্দারা জানান, এলাকার মানুষ সকলেই কৃষিজীবি। তরি তরকারী, শাক সব্জি, ফল ক্ষেতের চাষাবাদ করে তারা জীবিকা নির্বাহ করেন । গত রমজান মাসে রাউজান উপজেলার ১ নং হলদিয়া ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ী এলাকা বৃন্দাবন পুর, বৃকবানুপুর, জানিপাথর, গলাচিপা, ওযাহেদ্যাখীল, হলদিয়া উত্তর সর্তা. এয়াসিন নগর. রাধামাধবপুর, রাউজান উপজেলার সীমান্তবর্তী রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার ডাবুয়া পাড়া, চৌধুরী পাড়া, কচু পাড়া, এলাকার পাহাড় ও টিলা ভুমিতে, ফসলী জমিতে উৎপাদিত তরি তরকারী ও ফল বাজারে বিক্রয় হয়েছে দশ মেট্রিক টনের অধিক বলে কৃষকেরা জানান। ঐ এলাকায় একসময়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিলনা । বর্তমান সরকারের শাসন আমলে তিন কোটি টাকা ব্যায়ে রাউজান উপজেলা সদরের ডাকবাংলো থেকে হলদিয় ইউনিয়নের দুগর্ম পাহাড়ী এলাকা বৃন্দাবনপুর পর্যন্ত শহীদ জাফর সড়কটি বিচুমিন কার্পেটিং করে দেয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ জাতীয় সংসদ সদস্য এবি এম ফজলে করিম চৌধুরীর প্রচেষ্টায় । এতে এলাকার কৃষকের উৎপাদিত পণ্য বাজারে বিক্রয় করার জন্য যানবাহনে করে দ্রুত আনা যায় । একারনে এলাকার কৃষকেরা এবি এম ফজলে করিম চৌধুরী এমপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। রাউজানের শহীদ জাফর সড়কটি আরো দুই কিলোমিটার উন্নয়ন কাজ করলে পার্বত্য জেলার লক্ষিছড়ি সড়কের সাথে মিলিত হবে বলে এলাকার লোকজন জানান । এলাকার সড়কটি নির্মান কারয় এলাকার মানুষের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে বলে দাবী করে এলাকার বাসিন্দা ডাঃ সুজিত দত্ত বলেন এলাকায় বিদুৎ এর লাইন না থাকায় এলাকার বাসিন্দারা সৌর বিদুৎ ব্যবহার করছে । শুস্ক মৌসুমে সেচ পাম্প চালানো হয় ডিজেল পাম্প দিয়ে এতে কৃষকদেরকে সেচের পানি খরচ দিতে হয় বেশী । এলাকায় বিদুৎ লাইন নির্মানের জন্য চট্টগ্রাম পল্লী বিদুৎ সমিতি টেন্ডার প্রদান করেছেন । বিদুৎ এর লাইন নির্মান হলে এলাকার কৃষকেরা আরো বেশী ফসল উৎপাদন করতে পারবে বলে জানান ডাঃ সুজিত দত্ত ।