রঙিন আলোয় ভেসে গেল চারপাশ…

প্রকাশ:| সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি , ২০১৭ সময় ০৯:১৭ অপরাহ্ণ

সকালের ভোরটা ফুটার পর ঠিকই সবুজ ছিল। সূর্যের আলো যত বাড়লো ততই রঙিন আলোয় ভেসে গেল চারপাশ। আকাশছোঁয়া পাহাড়ের নিচ রাস্তায় যেন থইথই করছিল হলুদের একেকটা ফুল রুপী তরুণ-তরুণী। তাদের কাছে থেকে ছড়িয়ে পড়ছিল কাচা ফুলের সুগন্ধ।

সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের চিত্র ছিল এরকমই। এভাবে ক্যাম্পাসে বসন্তকে বরণ করেছেন তারা।

তরুণীর খোঁপায় বাধানো ফুলের গন্ধে বসন্ত মৌ মৌ করছিল এদিন। বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তমঞ্চের আসর থেকে সুর ভেসে আসছিল চত্বর জুড়ে। পাশের ইট গাঁথানো মোড়া বিরাট কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার যেন আশেপাশের তরুণ-তরুণীর আনাগোনায় গিয়েছিল ঢেঁকে।

তার সামনে সুরেলা কন্ঠে শিল্পীরা গাইছেন, ‘ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান/ তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান/ আমার আপন হারা প্রাণ/আমার বাধন ছেঁড়া প্রাণ।’

ওই অংশটি বার বার গাইতে গাইতে শিল্পীরা এ বার তাতে শেষের অংশটা গাইলেন, ‘তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান/ ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান।’ তখন আপ্লুত শ্রোতারা আনন্দে উথালপাতাল। টানা উলুধ্বনিতে ডুবে গেল শিল্পীর সুর।

সেখানে থাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী স্বরণীকা বড়ুয়া বলেন, ‘বছরের একটি দিন তাই বরণ করতে বন্ধুদের সাথে ক্যাম্পাসে এসেছি। শুধু আজকে পড়ার জন্য হলুদ শাড়ি ওইটার সাথে মিলিয়ে চুড়ি, খোপায় দেয়ার জন্য ফুলও কিনেছি। গান শুনে শুনে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে খুব ভাল লাগছে।

বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনার,জিরো পয়েন্টা, বোটানিক্যাল গার্ডেন ও প্রত্যেক ফ্যাকাল্টির ঝুপড়িগুলোতে গান আর আড্ডায় মেতেছিল তারা। অনেকে ক্যাম্পাসে পরিবারের সদস্যদেরও নিয়ে এসেছিল।