যেসব কেন্দ্রে পড়েনি ভোটারের পদধূলি

প্রকাশ:| রবিবার, ৫ জানুয়ারি , ২০১৪ সময় ০৭:০৭ অপরাহ্ণ

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের কয়েকটি কেন্দ্র ছিল একেবারেই ভোটারশূন্য। কোনো ভোটারের পদধূলি না পড়ায় অলস সময় পার করেছেন কর্মকর্তারা। ছিল না দিনশেষে ভোট গণনার কোনো ঝামেলাও।

রোববার দিনভর ওইসব কেন্দ্রের অনেকে কর্মকর্তাদের দেখা গেছে গালে হাত দিয়ে বসে থাকতে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কর্মকর্তারা ছাড়া আর কাউকে কেন্দ্রে যেতে দেখা যায়নি।

সিলেটে নিখোঁজ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এম. ইলিয়াস আলীর নিজ কেন্দ্র বিশ্বনাথের রামধানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা তিনটি ও ফেনীর একটি কেন্দ্রে এমন চিত্রই দেখা গেছে।

সাতক্ষীরা: সহিংসতা আর হামলার আশঙ্কায় সাতক্ষীরা-২ (সদর) আসনের কেন্দ্রগুলো ছিল প্রায় ভোটারশূন্য। অনেক কেন্দ্রে ছিল হাতে গোনা কয়েকজন ভোটাদের উপস্থিতি। তবে তিনটি কেন্দ্র ছিল একেবারেই ভোটারশূন্য।

জেলা সদরের আগরদারী মাদরাসা, গদাঘাটা মল্লিকপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিয়ালডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কোনো ভোটারকেই দেখা যায়নি। একটি ভোটও পড়েনি।

এসব কেন্দ্রের প্রিজাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তারা গালে হাত দিয়ে বসেছিলেন। শীতের দিন হওয়ায় তারা কেন্দ্রের বাইরে গিয়ে রোদের উত্তাপ নিয়েছেন।

সাতক্ষীরা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল হোসেন স্ব স্ব কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সিলেট: নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম. ইলিয়াস আলীর নিজ কেন্দ্র বিশ্বনাথের রামধানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুপুর ২টা পর্যন্ত একটি ভোটও পড়েনি। এ কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ৯১০টি।

প্রিজাইডিং অফিসার ও বিশ্বনাথের সহকারী শিক্ষা অফিসার বজলুর রহমান বাংলামেইলকে বলেন, ‘এই ভোটকেন্দ্রে কোনো ভোটার ভোট দিতে আসেনি। একটি ভোটও কাস্ট হয়নি। এছাড়া দুইজন প্রার্থীর মধ্যে একজন প্রার্থীর এজেন্টও এখানে আসেনি।’

ফেনী: ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) আসনের চরচান্দিয়া ইউনিয়নের মহেসচর কেন্দ্রে কোনো ভোটারের পদধূলি পড়েনি। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার ১ হাজার ৬শ’ ৩২ জন। এর মধ্যে কেউই আসেননি কেন্দ্রে। একটা ভোটও পড়েনি। বিকেল ৪টার পর শূন্য ব্যালট পেপার ফেরত নিয়ে যান কর্মকর্তারা।


আরোও সংবাদ