যেকোনো মূল্যে ১৫ নভেম্বর রাজধানীর শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশ-হেফাজত

প্রকাশ:| রবিবার, ৩ নভেম্বর , ২০১৩ সময় ১১:১৬ অপরাহ্ণ

যেকোনো মূল্যে ১৫ নভেম্বর রাজধানীর শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম।’

সংঘাত এড়াতে সমাবেশের অনুমতি দিতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।

রোববার সন্ধ্যায় হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগর কমিটির এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়।

অনুমতি না পাওয়ায় গত শুক্রবার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটের সমাবেশ স্থগিত করে হেফাজতে ইসলাম।

এদিকে তরিকত ফেডারেশন নামের সরকারপন্থি একটি রাজনৈতিক জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে ১৫ নভেম্বর শাপলা চত্বরে সমাবেশের ডাক দিয়েছে।

হেফাজতে ইসলামের অভিযোগ, তাদের মহাসমাবেশ পণ্ড করতেই সরকার তরিকতকে দিয়ে পাল্টা সমাবেশ ডাকে।

তরিকত মহাসচিব এম আউয়াল সমকালকে বলেন, “হেফাজতে ইসলামের পাল্টা কর্মসূচি নয়, জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ ও সর্বদলীয় সরকারের দাবিতে আমাদের সমাবেশ।”

প্রস্তাবিত ‘কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা কর্তৃপক্ষ আইন-২০১৩’ বাতিলের দাবিতে গত শনিবার হাটাহাজারির সমাবেশ থেকে আল্লামা আহমদ শফী আগামী ৭ নভেম্বর সিলেট, ৮ নভেম্বর খুলনায়, ১২ ও ১৩ নভেম্বর চট্টগ্রাম এবং ১৫ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা দেন।

হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী সরকারকে সতর্ক করে বলেন, “ঢাকা, চট্টগ্রামের মহাসমাবেশে বাধা দেওয়া হলে লাখ লাখ লাশ পড়বে।”

‘হেফাজতে ইসলামকে সমাবেশের নামে জ্বালাও-পোড়াও করতে দেওয়া হবে না’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের এ বক্তব্যের প্রতিবাদ করে হেফাজতে ইসলামের নেতারা বলেন, “সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থেকে এমন অসংলগ্ন বক্তব্য একেবারেই বেমানান।”

১৫ নভেম্বরের মহাসমাবেশে অনুমতি দিয়ে সরকারকে আন্তরিক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারা।

বিবৃতিদাতারা হলেন- হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির ও ঢাকা মহানগর আহ্বায়ক নূর হোসাইন কাসেমী, সদস্য সচিব জুনায়েদ আল হাবীব, যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা জাফরুল্লাহ খান, মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী, মাওলানা মাহফুজুল হক প্রমুখ।