যুদ্ধাপরাধীদের রায় কার্যকর হবেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর , ২০১৩ সময় ১০:১৩ অপরাহ্ণ

pm...jonosovaবিরোধীদলীয় নেত্রী যতই চেষ্টা করুক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ হবে না, রায় কার্যকর হবেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ মঙ্গলবার সিলেটের গোপালগঞ্জ উপজেলার এমসি একাডেমি স্কুল মাঠে এক জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী মঙ্গবার বেলা পৌনে ৪টার দিকে সিলেটের জালালাবাদ সেনানিবাস থেকে হেলিকপ্টারযোগে গোলাপগঞ্জ উপজেলা মাঠে অবতরণ করে জনসভায় যোগ দেন।

এরপর হযরত শাহজালালের মাজার জিয়ারত শেষে হযরত শাহ পরানের মাজারে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ১৩টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।

এদিকে, তার সফরকে কেন্দ্র করে সিলেট আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। নগরজুড়ে রং-বেরঙের ব্যানার, ফেস্টুন শোভা পাচ্ছে। মোড়ে মোড়ে তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জামায়াত-শিবিরিকে মদদ দিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেত্রী। তিনি যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানিয়েছেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আমরা শুরু করেছি। এই বিচার নিয়েও বিরোধী দল বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করেছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে। বাকিদেরও বিচার হবে। সরকার যত দ্রুত সম্ভব এই রায় কার্যকর করবে। বাংলার মাটিতে বাংলার মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যকর হবেই।

বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে শেখ হাসিনা বলেছে, তিনি নাকি ভোট চান না। তাহলে কী চান, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ? খালেদা জিয়া আপনি আয়নায় নিজের মুখ দেখুন। শুধু সাজুগুজুর সময় আয়না দেখলে চলবে না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রথমবারের মত সবার মতামত নিয়ে সার্চ কমিটির পরামর্শে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিরপেক্ষ হয়েছে। আর এ কারণে জাতীয় নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে। বিডিআর হত্যার সময়ে তাকে ফোন করেছিলাম, কিন্তু তিনি কোথায় গিয়ে পালিয়েছিলেন সেটা জাতি জানতে চায়।

নৌকা ডুবে গেছে বলে খালেদা জিয়ার বক্তব্যে প্রতি ইঙ্গিত করে শেখ হাসিনা বলেন, নৌকা কখনও ডোবে না। ৩০০ বছরের আগের নৌকাও জেগে ওঠার ইতিহাস আছে। নৌকায় ভোট দিয়ে জনগণকে গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখার আহবান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সিলেটের যেসব কলেজ সরকারিকরণ হয়নি তা আবার ক্ষমতায় এলে সরকারি করা হবে। আমি আমার মা বাবা সব হারিয়েছি। তবুও বাংলার মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমার লক্ষ্য একটাই দুঃখি মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত করবো।