যানজট নিরসনে কাজ করবে ট্রাফিক অ্যাওয়ার্নেস ক্লাব

প্রকাশ:| সোমবার, ১৪ জুলাই , ২০১৪ সময় ০৬:০২ অপরাহ্ণ

যানজট নিরসনে কাজ করবে ট্রাফিক অ্যাওয়ার্নেস ক্লাবসময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বন্দরনগরীতে বেড়ে চলছে যানজট। বছরের অন্যান্য সময় কম বেশি এ সমস্যা থাকলেও ঈদের আগে দুর্ভোগ বেড়ে যায় কয়েকগুণ।

এ সমস্যাকে মাথায় রেখে মঙ্গলবার থেকে নগরীর আটটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ ট্রাফিক অ্যাওয়ার্নেস ক্লাব।

স্বেচ্ছাসেবী এ ক্লাবের প্রেসিডেন্ট হুমায়ুন মোর্শেদ বাংলানিউজকে জানান, যানজট নিরসনে সহযোগী হিসেবে কাজ করতে আমরা ট্রাফিক পুলিশ থেকে অনুমতি চেয়েছিলাম। আমাদের প্রাথমিকভাবে ১৫ জুলাই থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত কাজ করার সাময়িক অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়েও ট্রাফিক পুলিশের ডাকে যে কোনো সময় আমাদের স্বেচ্ছাসেবীরা সাড়া দেবে।

তিনি জানান, ক্লাবের সদস্যরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নগর ট্রাফিক পুলিশকে সহায়তার পাশাপাশি যুবসমাজসহ পথচারীদের ট্রাফিক নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে পালনে উৎসাহ দিবেন। ৮টি পয়েন্টে ক্লাবের ২৫ জন সদস্য নিয়োজিত থাকবেন।

ট্রাফিক পুলিশ সূত্র জানায়, সাময়িক অনুমতিপত্রে নগরীর প্রবর্তক মোড়, মিমি সুপার, আফমি প্লাজা, ষোলশহর দুই নম্বর গেট, চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স, সেন্ট্রাল প্লাজা, সানমার এলাকায় ট্রাফিক পুলিশকে সহায়তা করতে বলা হয়েছে।

সংগঠনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৯ জুলাই এ অনুমতিপত্র দেওয়া হয়।

অনুমাতিপত্রে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট পরিদর্শক ও সার্জেন্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে ক্লাবের সদস্যদের কাজ করতে হবে। কর্তব্যরত সময়ে কোনো গাড়ির কাগজপত্র চেক করা যাবে না।

গাড়ির চালক ও পথচারীদের সঙ্গে কোনোভাবেই খারাপ আচরণ করা যাবে না। কর্তব্য পালনকালে কোনো সড়ক দুর্ঘটনা বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে কর্তব্যরত ট্রাফিক কর্মকর্তাদের অবহিত করতে হবে।

রাত ৮টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ক্লাবের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। অনুমতিপত্রে সব স্বেচ্ছাসেবকের নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক পরিদর্শকদের হস্তান্তর করতে বলা হয়েছে।

এসব শর্ত পালনে ব্যর্থ হলে সাময়িক অনুমতি বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ।

ক্লাবের প্রেসিডেন্ট হুমায়ুন মোর্শেদ জানান, ২০১৩ সালে আগস্টে বাংলাদেশ ট্রাফিক অ্যাওয়ার্নেস ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়। প্রথমদিকে ১০/১২ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা অর্ধ শতাধিক।

স্বেচ্ছাসেবী এ উদ্যোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রথমবারের মতো সংগঠনের পক্ষ থেকে বড় কোনো কাজে অংশগ্রহণ করা হচ্ছে। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আমাদের স্বেচ্ছাসেবীরা এ কাজ অংশ নিচ্ছে। পরবর্তীতে শুধু যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতাই নয়, আমরা বিভিন্ন ক্যাম্পেইন, সেমিনারের আয়োজন করে ট্রাফিক সচেতনা বৃদ্ধি ও দুর্ঘটনা রোধের উদ্যোগ নেবো।’


আরোও সংবাদ