যানজট:চট্টগ্রাম-নাজিরহাট সড়কের যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে

প্রকাশ:| রবিবার, ১১ আগস্ট , ২০১৩ সময় ১০:২১ পূর্বাহ্ণ

হাটহাজারী বাসষ্টেশন,চৌধুরীহাট,আমানবাজার,বড়দীঘিরপাড়,ফতেয়াবাদ,সরকারহাট এলাকায় রাস্তার উপর দাড়িয়ে
[three_fourth_last]যাত্রী নেয়া আইন নামানা,সড়কের জির্ন দশা মূল কারন
jam বৃট
চট্টগ্রাম-নাজিরহাট মহাসড়কের অবস্থা খুবই নাজুক হয়ে পড়েছে। এ সড়কের বিভিন্ন গুরম্নত্বপূর্ন পয়েন্টে কার্পেটিং উঠে গিয়ে মারাত্মক গর্তের সৃষ্টি করেছে, হাটহাজারী বাসষ্টেশন,চৌধুরীহাট,আমানবাজার,বড়দীঘিরপাড়,ফতেয়াবাদ,সরকারহাট এলাকায় রাস্তার উপর দাড়িয়ে যাত্রী নেয়া, আইন নামানার ফলে এ সড়কে দিয়ে চলাচলরত দুই পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি,রাঙ্গামাটি ও রাউজান,ফটিকছড়ি সহ বিভিন্ন উপজেলায় যাতায়তকারীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দূর্ভোগ। ঈদ উপলড়্গে দেশের অন্যান্য মহাসড়কের মত এ সড়কে জোড়াতালি দিয়ে সংষ্কার করা হলেও তা ছিল অপ্রতুল। তাছাড়া বিভিন্ন পয়েন্টে গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় সড়কে যানজটও বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে অক্সিজেন হতে পর্যাপ্ত পরিমান বাস সার্ভিস না থাকায় এসকল রম্নটে চলাচলকারী যাত্রীদেরও দূর্ভোগ যেন আরো বেড়ে গেছে। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সিএনজি চালিত ট্যাক্সি ও হাইসের অসাধু চালকগন নিয়মিত ভাড়ার চেয়ে দ্বিগুন কিংবা স’ানভেদে তিনগুন ভাড়াও আদায় করছে।
জানা যায়,চট্টগ্রাম-নাজিরহাট মহাসড়কটি খুবই গুরম্নত্বপূর্ন একটি মহাসড়ক। দুই পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি এবং হাটহাজারী সংলগ্ন উপজেলা ফটিকছড়ি,রাউজান,রাঙ্গুনীয়া,সীতাকুন্ড সহ অন্যান্য উপজেলার সাথে চট্টগ্রামের যোগাযোগের একমাত্র অবলম্বন হচ্ছে এ মহাসড়ক। এ মহাসড়ক দিয়ে ২৮ রম্নটের গাড়ী চলাচল করে। গত বছর যোগাযোগ মন্ত্রী ওবাইদুল কাদের এর তিন তিনবার সফরের সময় তিনি সংশিস্নষ্ট কর্তৃপড়্গকে নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন এ মহাসড়কের কোথাও কোন ড়্গত না থাকে। কেননা এ মহাসড়কটি দুই পার্বত্য জেলার জন্য খুবই গুরম্নত্বপূর্ন। কিন’ কে শুনে কার কথা। মন্ত্রী আসার খবর পেলে ২/১ দিন আগে তড়িগড়ি করে কার্পেটিং গুলো কোনভাবে মেরামত করে। পরে আর খবর থাকে না। চট্টগ্রাম-নাজিরহাট মহাসড়কের আমানবাজার,বড়দীঘিরপাড়,চৌধুরীহাট,ফতেয়াবাদ,নন্দীরহাট,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ১নং গেইট,২নং গেইট,হাটহাজারী বাসষ্টেশন,মুন্সীর মসজিদ,সরকারহাট,কাটিরহাট,নাজিরহাট বাজার সহ বিভিন্ন গুরম্নত্বপূর্ন পয়েন্টে বিশাল গর্তের কারনে সড়কিটি এখন যান চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে।ঈদে বের হওয়া যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে। রমজানের শুরম্নতে দেশের অন্যন্য স’ানের মত উলেস্নখিত সড়কে সামন্য পরিমান ইট বালু জোড়াতালি দিয়ে সংষ্কার করা হলেও বর্তমানে তা এখন বড় বড় গর্তে রম্নপ নিয়েছে। এ বিশাল গর্তের কারনে এ মহাসড়কটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাড়িয়েছে। যা রাতে আরো মারাত্মক রম্নপ ধারন করে। গর্ত সৃষ্টির ফলে স্বাভাবিক যান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। ফলে বাড়ছে যানজট,বাড়ছে জীবনের ঝুঁকি। নষ্ট হচ্ছে কর্মব্যসত্ম জীবনের গুরম্নত্বপূর্ন সময়। এক ঘন্টার পথ অতিক্রম করতে লাগে ৩/৪ ঘন্টা। অন্যদিকে ২৮টি রম্নটের যানবাহন এক ষ্টেশন থেকে ছেড়ে আসে বলে অক্সিজেনে বাস সার্ভিসের সংকট দেখা দিয়েছে। বাস মালিক সমিতিও এ ব্যাপারে আনত্মরিক নয়। আর বাস চালকদের বিরম্নদ্ধে অভিযোগতো রয়েছে। শুধুমাত্র রাউজানের সাংসদ এ.বি.এম ফজলে করিম তার উপজেলার জন্য ফ্রি বিআরটিসি বাস চালু করলেও অন্যান্য উপজেলা সেই সেবা থেকে বঞ্চিত। বাস সংকটের এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু বাস চালক এবং সিএনজি চালিত ট্যাক্সি ও হাইসের চালকরা যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। ভাড়া আদায়ের এ পরিমান অন্যান্য দিনের চেয়ে স’ান ভেদে ২/৩ গুন। ফলে ছেলে সনত্মান নিয়ে বাড়ী বাড়ী ফেরা মুসলমানদের পড়তে হচ্ছে চরম দূর্বোগে। এ ব্যাপারে মুনিয়া পুকুর পাড় এলাতার মো.সাইফুল ইসলাম বলেন,সিএনজি ট্যাক্সি চালকেরা বেপরোয়া হয়ে পড়েছে। তারা ২০ টাকার ভাড়া ৩০/৪০ টাকা নিচ্ছে। তারা যেন টাকার কল তৈরী করেছে। এ ব্যাপারে এক সওজ কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি আরো বলেন আমরা সড়ক মেরামতের যথাসাধ্য চেষ্টা করেছ। যতটুকু পেরেছি তা করেছি।