যত অভিযোগ আনোয়ারা থানার ওসির বিরুদ্ধে

প্রকাশ:| রবিবার, ৩ এপ্রিল , ২০১৬ সময় ১০:৫৮ অপরাহ্ণ

আনোয়ারা উপজেলা
আনোয়ারা প্রতিনিধি:
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) আব্দুল লতিফের বিরুদ্ধে ১৭ হাজার টাকা দামের মোবাইল সেট পুকুরে ছুড়ে ফেলার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় যুবক মহিউদ্দিন চৌধুরী অসিম (৩৬)।
তার অভিযোগ, উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের দক্ষিণ ইছাখালী গ্রামে শনিবার দুপুরে একটি সালিসি বৈঠকের ভিডিওটিত্র ধারণ করা হয়েছে এমন সন্দেহ থেকে ওসি এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন।
মহিউদ্দিন চৌধুরী অসিম বলেন, দক্ষিণ ইছাখালীর সিকদার বাড়ির বদিউল আলম ও আবদুল জব্বার গংয়ের সালিসি বৈঠক চলাকালে কৌতূহলবশত আমিও গিয়েছিলাম। সালিস চলাকালে ওসি আবদুল লতিফসহ কয়েকজন মুরুব্বি চেয়ারে বসা ছিলেন। আমি আমার হাতে থাকা মোবাইল নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম। কিছুক্ষণ পর ওসি সাহেব ভিডিও করছি কিনা জানতে চান। আমি বললাম, ভিডিও করছি না, এই দেখুন। তখন উনি মোবাইলটা নিয়ে মাটিতে ফেলেন। পা দিয়ে আঘাত করে দুমড়ে-মুচড়ে পাশের পুকুরে ছুড়ে মারেন। মহিউদ্দিন জানান, মোবাইল ফোনটি ১৭ হাজার টাকায় কিনেছিলেন তিনি। ওই ফোনে আত্মীয়-স্বজনের অনেক নাম্বার, জরুরি ডকুমেন্ট, ছবি সেভ করা ছিল।
স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, যমুনা টিভির ৩৬০ ডিগ্রি অনুষ্ঠানের দলটি আনোয়ারা থানায় নাজেহাল হওয়ার পর থেকে ওসি ধরাকে সরা জ্ঞান করছেন। যখন যাকে খুশি লাঞ্ছিত করছেন। এরপরে স্থানীয় যুবলীগ নেতা সোহেলকে কনবেস্টল দিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করেন। ইয়াবাসহ শোলকাটা এলাকা থেকে জানে আলমকে আটক করার পর ইয়াবা কত পিছ জানতে থানার এসআইদেও গণমাধ্যম কর্মীরা কল দিলে তারা তা নিয়ে তালবাহানা করেন। দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যোগাযোগ করার পর রাত ৮টায় ১৩২পিছ ইয়াবা পাওয়া গেছে বলে জানান থানার এস আই উৎপল চক্রবর্তী।
এ ব্যাপারে ওসি আবদুল লতিফের কাছে জানতে চাইলে বলেন, আমি কারও মোবাইল পুকুরে ছুড়ে মারিনি। সব মিথ্যা কথা।


আরোও সংবাদ