মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধেঅনিয়ম দুর্ণীতি ও অর্থ-আত্মসাতের অভিযোগ

প্রকাশ:| বুধবার, ২৯ জুলাই , ২০১৫ সময় ০৮:৩৮ অপরাহ্ণ

মৎস্য কর্মকর্তা

নোয়াখালী প্রতিনিধি ঃ বেগমগঞ্জ উপজেলার বিগত মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্ণীতি ও অর্থ-আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায়, বেগমগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হিসাবে মোসাৎ জেসমিন আখতার যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্ণীতির মাধ্যমে ভূয়া বিল ভাউচার সৃজন করে অর্থ-আত্মসাত করে যাচ্ছে।
উক্ত কর্মকর্তা ২০১৪-’১৫ অর্থ বছরের খালে পোনা অবমুক্ত করণ নামে ৪০ হাজার টাকা হ্যাচারী উন্নয়ন নামে ১৯ হাজার টাকা, হোন্ডা অফিসে পড়ে থাকলে ও নোয়াঃ হ, ১১-২৪৭১ নম্বর হোল্ডার জানুয়ারী থেকে জুলাই ১৪ তারিখ পর্যন্ত অকেজো হোন্ডা ঢাকা মেট্রো-এ, ০৩-৫৭৩৩ নম্বরের বিল তৈরী করে প্রায় দশ হাজার টাকা। মৎস্য কর্মকর্তা জেসমিন আখতার তার স্বামীর দাপট দেখিয়ে মৎস্য অফিস সহকারী ফয়েজ আলম কে দিয়ে তার অনিয়মের মাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়া রেনু পোনার নার্সারী নামে, জেলে সুয়ার নিজস্ব কালাপোলের পোনা মজুত পুকুরে সাঁকো নির্মাণ করে রেনু নার্সারীর সাইনবোর্ড লাগিয়ে বিভিন্ন জাতের ৬ শত গ্রাম রেনু ছাড়ে। যার মূল্য প্রায় ৩ হাজার টাকা। খালে পোনা অবমুক্ত করার সময় রহস্য জনক কারণে সে প্রজেক্ট থেকে পোনা না তুলে আলীপুর সেনা প্রধানের বাড়ীর পাশে অন্য প্রজেক্ট হতে পোনা এনে বেগমগঞ্জ পোলের দক্ষিনে খালে পানিসহ ২৪ কেজি র্২র্ সাইজের পোনা অবমুক্ত করেন নির্বাহী কর্মকর্তা কে দিয়ে ১৪ জুলাই সকালে। অপর দিকে রাজলক্ষী মৎস্য এগ্রো প্রোডাক্ট। রূপালী মৎস্য হ্যাচারী সহ বিভিন্ন হ্যাচারী মালিকদের সাথে আলাপ করে জানাযায়, হ্যাচারী মোবাইল কোট নামে ১৯ হাজার টাকা, আদায় করে। এছাড়াও মৎস্য চাষী ১২৫ জনের প্রশিক্ষণের সম্মানি ভাতা মৎস্য কর্মকর্তা না দেওয়ায়, অভিযোগে মৎস্য কর্মকর্তা কিছু কিছু দিয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আত্মসাত করে। প্রতিদিন প্রতিজন ট্রেনিং ভাতা বাবত ২৫০ টাকা পাওয়ার কথা। মাঠ পয্যায়ে যেতে অফিস সহকারী কে সাথে নিয়ে বিভিন্ন কার্যসম্পাদন করে এ প্রতিবেদক মৎস্য কর্মকর্তা জেসমিন আখতার ও অফিস সহকারীকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেন। ১৯৯৪ ইং থেকে ২০১৫ ইং পর্যন্ত বেগমগঞ্জ উপজেলা মৎস্য অফিস সহকারী হিসাবে চাকুরী করছেন। অপর দিকে ২০১৪ সালে নভেম্বর মাসে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি সোনাইমুড়ী উপজেলায় যোগদান করছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ বিষয়ে জানান, নার্সারীর মাধ্যমে পোনা উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করা হয়। মৎস্য কর্মকর্তার অনিয়ম দুর্ণীতি ও অর্থ আত্মসাতের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তদন্ত হওয়া জরুরী।