মোবারক হোসেন নিহত হওয়ার পর অনুসারীরা হতাশ

প্রকাশ:| রবিবার, ১৮ আগস্ট , ২০১৩ সময় ০৯:২১ অপরাহ্ণ

আর্ত্বগোপনে চলে যাওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসী ফজল হকের অনুসারীদের উল্লাস, এলাকায় চরম আতংক
mail.google.comশফিউল আলম ,নিউজচিটাগাং২৪.কম।। রাউজানের নোয়াপাড়া চৌধুরী হাটে যুবলীগ নেতা মোবারক হোসেন নিহত হওয়ার পর মোবারকের অনুসারীরা হতাশ, আর্ত্বগোপনে চলে যাওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসী ফজল হকের অনুসারীদের উল্লাস, এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতংক নেমে আসছে । রাউজান উপজেলার ১৩ নং নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের চৌধুরী হাট ঘাটকুল এলাকার মৃত নাসিরের পুত্র যুবলীগ নেতা মোবারক হোসেন (৩৮) তার সহযোগী যুবলীগ নেতা সেকান্দর (৩৮) জসিম (৩৬) গত ১৭ আগষ্ট শনিবার সন্দ্ব্যায় বাড়ীর পার্শ্বে চৌধুরী হাট এলাকায় বসে তিনজনই আলাপ আলোচনা করা অবস্থায় পার্শ্ববর্তী পালোয়ান পাড়া এলাকার বুদুরুস মেহেরের পুত্র ডাকাত সন্ত্রাসী আবদুর রসিদ, তার সহযোগী লোকমান হোসেন প্রকাশ লাডুম এর নেতৃত্বে সন্ত্রাসী কামরুল হাসান টিটু সহ তাদের সহযোগীরা অর্তকিতভাবে যুবলীগ নেতা মোবারক হোসেন, তার সহযোগী সেকান্দর হোসেন, জসিম উদ্দিনের উপর হামলা চালায় । সন্ত্রাসী আবদুর রসিদ, তার সহযোগী লোকমান হোসেন প্রকাশ লাডুম এর নেতৃত্বে সন্ত্রাসী কামরুল হাসান টিটু সহ তাদের সহযোগীরা যুবলীগ নেতা মোবারক হোসেন (৩৮) তার সহযোগী যুবলীগ নেতা সেকান্দর (৩৮) জসিম (৩৬ কে এলাপাতারী কুপিয়ে ও গুলি করে বীরদর্পে চলে যায় । এ সময় চৌধুরী হাটের ব্যবসা প্রতিষ্টান বন্দ্ব করে দিয়ে ব্যবসায়ীরা নিরাপদ স্থানে চলে যায় । সড়কে চলাচল রত যানবাহন দ্রুত পালিয়ে যায় । পরে রাত সাড়ে আটটার সময় রাউজান নোয়াপাড়া পুলিশ ফাড়ীঁর এস আই টুটুন মজুমদার সহ পুলিশের একটি দল উপস্থিত হয়ে ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা আহত যুবলীগ নেতা মোবারক হোসেন (৩৮) তার সহযোগী যুবলীগ নেতা সেকান্দর (৩৮) জসিম (৩৬ কে উদ্বার করে নোয়াপাড়া পথের হাটস্থ পাইনিওয়ার হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন । এসময় দায়িত্বরত চিকিৎসক যুবলীগ সেতা মোবারক হোসেন কে মৃত্যু বলে ঘোষনা করেন । যুবলীগ নেতা সেকান্দর (৩৮) জসিম (৩৬ কে আহত অবস্থায় চিকিৎসা করেন । রাতে যুবলীগ নেতা সেকান্দর (৩৮) জসিম (৩৬ কে চট্টগ্রাম শহরের বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায় তাদেও স্বজনেরা । যুবলীগ নেতা মেবারকের লাশঁ গত শনিবার দিবাগত রাতে পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যায় । ময়না তদন্ত শেষ হওয়ার পর তার স্বজনেরা যুবলীগ নেতা মোবারকের লাশঁ মর্গে থেকে নিয়ে আসেন । গতকাল রবিবার বিকালে মোবারকের লাশ তার গ্রামের বাড়ীকে নিয়ে আসার পর জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশঁ দাফন করা হয় । যুবলীগ নেতা মোবারক হোসেন এর হত্যার নৈপথ্যে রয়েছে সৌদি আরবে আর্ত্বগোপনে চলে যাওয়া রাউজানের শীর্ষ সন্ত্রাসী ফজল হক । শীর্ষ সন্ত্রাসী ফজল হকের পথের কাটা যুবলীগ নেতা মোবারক হোসেন হত্যাকান্ডে অংশ নেওয়া ডাকাত আবদুর রশিদ, লোকমান হোসেন লাডুম, সন্ত্রাসী কামরুল হাসান টিটু সহ তাদের সহযোগীরা সৌদি আরবে আর্ত্বগোপনে চলে যাওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসী ফজল হকের অনুসারী বলে সরজমিনে পরিদর্শন কালে এলাকার লোকজন তাদের নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই প্রতিবেদককে জানায় । শীষ সন্ত্রাসী ফজল হক এলাকার এক দুবাই প্রবাসী চট্টগ্রামের শুলকবহর এলাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে ্বসবাস কারী জসিম হত্যাকান্ডে অংশ নেওয়া সন্ত্রাসীদেরকে শীর্ষ সন্ত্রাসী ফজল হকের পাঠানো মোটা অংকের টাকা দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে । এলাকার লোকজন জানান, যুবলীগ নেতা মোবারক হোসেন এক সময়ে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের দেওয়া মামলার কারনে সন্ত্রাসী হিসাবে পরিচিত লাভ করলে ও গত কয়েক বৎসরের মধ্যে সে কোন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত ছিলনা । কর্ণফুলী নদীর ছায়ার চর এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করে বালু সরবরাহ করে যে টাকা পেতেন তা দিয়ে মোবারক ও তার সহযোগীরা চলতো । এছাড়া ও এলাকার উন্নয়ন কাজের ঠিকাদার থেকে উন্নয়ন কাজ এর সাব ঠিকাদারী নিয়ে ঠিকাদারী করে মোবারক ও তার সহযোগীরা পরিবার পরিজনের ব্যায়ভার বহন করতো বলে স্থানীয় মেম্বার করিম বক্স ও এলাকার লোকজন জানান । শীর্ষ সন্ত্রাসী ফজল হকের অনুসারী সন্ত্রাসী ডাকাত আবদুর রশিদ, লোকমান হোসেন লাডুম, সন্ত্রাসী কামরুল হাসান টিটু সহ তাদের সহযোগীরা এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও চুরি ডাকাতি করার প্রচেষ্টা করলে যুবলীগ নেতা মোবারক ও তার সহযোগীরা তাদেও প্রতিরোধ করায় পুর্ব পরিকল্পিত ভাবে যুবলীগ নেতা মোবরক হোসেনকে হত্যা করে বলে এলাকার লোকজন জানান। রাউজানের নোয়াপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব দিদারুল আলম জানান, গত শনিবার সন্দ্বায় ঘটনাস্থল নোয়াপাড়া চৌধুরী হটে আমি একটি দোকানে বসা অবস্থায় হঠাৎ করে সন্ত্রাসীরা যুবলীগ নেতা মোবারক হোসেন (৩৮) তার সহযোগী যুবলীগ নেতা সেকান্দর (৩৮) জসিম (৩৬ কে এলাপাতারী কুপিয়ে ও গুলি করে বীরদর্পে চলে যায় । সে সময়ে এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্টান বন্দ্ব করে দেয় ব্যবসায়ীরা । যুবলীগ নেতা মোবারক হোসেন তার সহযোগীদের পুর্বে ও একাধিকবার হত্যার প্রচেষ্টা করেন সন্ত্রাসীরা । সেই সময়ে বেচেঁ গেলেও গত শনিবার সন্দ্ব্যায় চৌধুরী হাটে বসা অবস্থায় সন্ত্রাসীরা পুর্ব পরিবল্পিত ভাবে যুবলীগ নেতা মোবারক হোসেন কে হত্যা করে বলে স্থানীয় চেয়ারম্যান আলহাজ্ব দিদারুল আলম জানায় যুবলীগ নেতা মোবারক হোসেন (৩৮) তার সহযোগী যুবলীগ নেতা সেকান্দর (৩৮) জসিম (৩৬ কে এলাপাতারী কুপিয়ে ও গুলি করে বীরদর্পে চলে যায় । ঘটনার পর এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম উত্তোজনা বিরাজ করছে । যুবলীগ নেতা মোবারক হোসেন হত্যা ও তার দুই সহযোগী সেকান্দর, জসিম আহত হওয়ার ঘটনার পর যুবলীগ নেতা মোবারকের অনুসারীরা হতাশ হয়ে পড়লে ও অর্ত্বগোপনে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসী ফজল হকের অনুসারীদের চলছে উল্লাস । যুবলীগ নেতা মোবারক হোসেনের হত্যা ও দুই সহযোগী আহত হওয়ার ঘটনার ব্যাপারে রাউজান থানায় কোন মামলা হয়েছে কিনা রাউজান থানার ওসি এনামুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, জানাজার নামাজ শেষ করে ও লাশ দাফন করে মামলা করবে বলে জানিয়েছে দার স্বজনেরা । হত্যাকান্ডের ঘটনার সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদেরকে ঘটনার পর পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি । নিহত যুবলীগ নেদা মোবারকের বিরুদ্বে কোন মামলা আছে কিনা জানতে চাইলে ওসি এনামুল হক মামলা আছে কিনা থতিয়ে দেখছে বলে জানান ।


আরোও সংবাদ