মোবাইল ফোনের বিদ্যমান কর পুনঃবিবেচনা করছে সরকার

প্রকাশ:| শনিবার, ২৩ এপ্রিল , ২০১৬ সময় ০৮:১১ অপরাহ্ণ

মোবাইল ফোনের বিদ্যমান কর পুনঃবিবেচনা করছে সরকারডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছেন, ‘মোবাইলফোন হ্যান্ডসেটের বিদ্যমান কর কাঠামো পুনঃবিবেচনা করার জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে সম্প্রতি অর্থমন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সবার হাতে স্মার্ট মোবাইল হ্যান্ডসেটে পৌঁছে দিতে এ খাতের বিদ্যমান কর কাঠামো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।’

আজ শনিবার টেলিযোগাযোগ খাতের প্রতিবেদকদের সংগঠন টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্কের আয়োজনে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে মোবাইল হ্যান্ডসেটের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন,‘ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার উপকরণ হ্যান্ডসেট ও টেলিকম নেটওয়ার্ক। বিভিন্ন ডিজিটাল সার্ভিস সেবা এ হ্যান্ডসেটের মাধ্যমে নেওয়া হচ্ছে। আমাদের মোবাইল মার্কেট বড় হচ্ছে, স্মার্টফোন ব্যবহার বাড়ছে, ইন্টারনেটের ৯৫ শতাংশ বেশির বর্তমানে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করছে।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘যত মানুষের হাতে স্মার্টফোন পৌছাবে, তত মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করবে এবং অন্যান্য ডিজিটাল সার্ভিস ব্যবহার করার ফলে সরকারের রাজস্ব বাড়বে। হ্যান্ডসেট আমদানি থেকে যে এক হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় হয় তার চেয়ে বেশী আয় হবত পারে।’

টেলিযোগযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি চেয়ারম্যান শাজাহান মাহমুদ বলেন, ‘শুধু মোবাইল হ্যান্ডসেট নয়, সুযোগ পেলে সব কিছু দেশে উৎপাদিত হবে না কেন? এই  মোবাইল ফোন আনতে হলে ২০ শতাংশ ট্যাক্স দিতে হয় আর তৈরি করার জন্য যন্ত্রপাতি নিয়ে আসলে খরচ হয় ৩৭ শতাংশের বেশি। যারা মোবাইল ফোন আমদানি করেন তারা দ্রুত এ বিষেয় আবেদন করেন, যেখানে যা প্রয়োজন আমরা করবো।’

টিআরএনবি সভাপতি রাশেদ মেহেদির সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন টিআরএনবি সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ।

সরকারের কাস্টম গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর মহাপরিচালক ড. মইনুল খান, ঢাকা কাস্টটম হাউজ কমিশনার লুৎফর রহমান, বিটিআরসি মহাপরিচালক কর্নেল নাসিম পারভেজ, অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অফ মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব) প্রতিনিধি এবং গ্রামীণফোনের চিফ কর্পোরেট এ্যাফেয়ার্স অফিসার মাহমুদ হোসেন  এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ আবু সাঈদ খান সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।


আরোও সংবাদ