মেয়রের সাথে জাইকা কনসালটেন্টদের বৈঠক

প্রকাশ:| বুধবার, ১৩ মে , ২০১৫ সময় ০৭:১২ অপরাহ্ণ

মেয়রের সাথে জাইকা কনসালটেন্টদের বৈঠকচট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীনের সাথে তাঁর ব্যক্তিগত দপ্তরে ১৩ মে ২০১৫খ্রি. বুধবার সকালে জাইকার অর্থায়নে সিটি গভারনেন্স প্রজেক্ট (সিজিপি) প্রকল্পের আওতায় নগরীর রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন খাতের জন্য গৃহিত ১৮ প্রকল্পের অধীনে প্রায় ২০১ কোটি ৫২ লক্ষ টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নে দায়িত্ব প্রাপ্ত স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এবং জাপানের কনসালটেন্টদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন সময় ক্ষেপন না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাইকার সকল শর্ত পুরন করে নগরীর রাস্তাঘাট, পুল কালভাট ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজগুলো বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা গ্রহনের নির্দেশ দেন। মেয়র বলেন, নাগরিক সেবার স্বার্থে জাইকার উদ্যোগ ও সহযোগীতাকে শতভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে। নব নির্বাচিত মেয়র বলেন, সকলকে সাথে নিয়েই নিরাপদ সেবা নিশ্চিত করতে চাই। চাকুরীজীবি হিসেবে নয় একজন নাগরিক হিসেবে নগরবাসীর স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সেবার মনোভাব নিয়ে সৎ নিয়তে স্ব স্ব দায়িত্ব পালন করতে হবে। স্ব স্ব মেধা, বুদ্ধি, একাগ্রতা, সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পাদন করতে হবে। সততার ক্ষেত্রে শতভাগ সততা ও দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা থাকতে হবে। নাগরিক সেবার ক্ষেত্রে এবং স্ব স্ব দায়িত্বের ক্ষেত্রে কোন ধরনের ছাড় পাওয়ার কোন সুযোগ নেই। তিনি বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রয়াসে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন অভিষ্ট লক্ষে পৌঁছে যাবে। উল্লেখ্য যে, অনুমোদিত জাইকার সাহায্য পুষ্ট ওহপষঁংরাব ঈরঃু এড়াবৎহধহপব চৎড়লবপঃ (ওঈএচ) এর প্রকল্প ফেইস-১ এর ১৮টি প্রকল্পের মধ্যে বিশেষ করে জাকির হোসেন রোড, এয়ারপোর্ট রোড, মেরিনার্স রোড, রুবি সিমেন্টের পাশে ব্রীজ, ৯নং গুপ্ত খালের ব্রীজ, ১৫নং খালের ব্রীজ, চাক্তাই খালের উপর পিসি গার্ডার ব্রীজ, ফিসারী ঘাট ব্রীজ, জলিলগঞ্জ ব্রীজ, টেকপাড়া ব্রীজ, মহেশ খালের উভয় পাশে প্রতিরোধ দেওয়াল, বিউটিফিকেশন ও ডাইভারশন খালের উভয় পাশে প্রতিরোধ দেওয়াল এবং বীর্জা খালের উভয় পাশে প্রতিরোধ দেওয়াল নির্মাণ ইত্যাদি প্রকল্পগুলোর উপর আলোচনা ও পর্যালোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ সব প্রকল্পগুলো জুলাই ২০১৫খ্রি. থেকে ডিসেম্বর ২০১৬খ্রি. মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে। এ ছাড়াও বৈঠকে ফেইস-২ এর প্রকল্পের মধ্যে পোর্ট কানেকটিং রোডের সম্প্রসারন ও উন্নয়ন, আগ্রাবাদ এক্সেস রোড বিউটিফিকেশন সহ সম্প্রসারন ও উন্নয়ন, সাগরিকা অলংকার মোড়ে ওভারপাস নির্মাণ, নিউমার্কেট মোড়ে নতুন ওভারপাস নির্মাণ, ৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন ভবন ও সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণ, লালদিঘীর পাড়ে সিটি কর্পোরেশনের পাবলিক লাইব্রেরির স্থানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম, লাইব্রেরি, কমিউনিটি সেন্টার কাম সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। আরো উল্লেখ্য যে, সিটি গভারনেন্স প্রজেক্ট এর আওতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন লজিষ্টিক সার্পোটও পাবে। সিটি গভারনেন্স প্রজেক্ট সমূহ বাস্তবায়নে সিটি উন্নয়ন কো-অপারেশন কমিটি ও সিভিল সোসাইটি কো-অর্ডিনেশন কমিটি গঠিত হবে। বৈঠকে ভারপ্রাপ্ত মেয়র লায়ন মোহাম্মদ হোসেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সচিব রশিদ আহমদ, ঞধংশ পড় ষঃফ. এর ঈড়ঁহংঁষঃরহম ফবঢ়ঃ. ঘধঃরড়হধষ গঁংবঁস ড়ভ ঊষযহড়ষড়মু ঠরংরঃরহম জবংবৎপয ঋবষষড়ি গৎ. ঞড়শঁড়শধ ঞধরংঁশব চয.ফ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের প্রকল্প পরিচালক মো. শাহজাহান মোল্লা, ডেপুটি প্রকল্প পরিচালক মো. রবিউল হোসেন ও আবদুল হাকিম, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি এ কে এম রেজাউল করিম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আহমদুল হক, নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল হুদা, মোহাম্মদ আবু ছালেহ, মো. কামরুল ইসলাম, জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম, সহকারী প্রকৌশলী অসীম বড়–য়া, মোহাম্মদ ফরহাদুল আলম ও উপ সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।