মে’রাজের বাস্তব অনুশীলন হয় গাউছুল আজম দরবার শরীফে

প্রকাশ:| রবিবার, ৩ মে , ২০১৫ সময় ০৯:৩৭ অপরাহ্ণ

রাউজান বড়ঠাকুরপাড়া এশায়াত মাহফিলে অধ্যক্ষ ছৈয়্যদ মুনির উল্লাহ্

শফিউল আলম, রাউজান ঃ

SAMSUNG CAMERA PICTURESকাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের মোর্শেদে আজম আওলাদে রাসূল হযরতুলহাজ্ব আল্লামা অধ্যক্ষ ছৈয়্যদ মুহাম্মদ মুনির উল্ল¬াহ্ আহমদী মাদ্দাজিল্লুহুল আলী বলেছেন, একজন মুসলিম নর-নারীর জন্য সর্বোত্তম এবাদত নামাজ। কিয়ামত দিবসে সর্বপ্রথম হিসাব নিকাশ হবে নামাজের। কিন্তু বর্তমান আধুনিক যুগে মুসলিম যুবক-যুবতী নামাজের প্রতি বড়ই উদাসীন। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআন এবং প্রিয় নবী (দঃ) পবিত্র হাদীসে নামাজের প্রতি যতœবান হওয়ার নির্দেশ দেয়া সত্ত্বেও যুব সমাজ নামাজকে তেমন গুরুত্ব দেয়না। কারণ শয়তানের ধোকা ও ইহুদী নাছারাদের কু-সংস্কৃতি। এ অবস্থা থেকে মুসলিম যুব সমাজকে মুক্তি দেয়ার একমাত্র উপায় রূহানী চিকিৎসা। যা যুগের গাউছুল আজম তাওয়াজ্জুহ বিল হাজের এবং তাওয়াজ্জুহ বিল গায়েব এর মাধ্যমে প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে। সুতরাং দুনিয়াতে ইসলামী জীবনধারন এবং পরকালে শান্তি লাভ করতে আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে সৎ কাজ করা ব্যতিত কোন উপায় নেই। আর কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফে এ বাস্তব শিক্ষা প্রদান করা হয়।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানের মত ফেতনার যুগে একজন মানুষকে ইনসানে কামেল হিসাবে গড়ে তুলতে সীনা-ব-সীনা তাওয়াজ্জুহবিশিষ্ট তরিক্বত তথা গাউছুল আজম দরবার শরীফের বিকল্প নেই। তাই তিনি সকলকে গাউছুল আজমের তরিক্বতকে গবেষণা করার জন্য উদাত্ত আহবান জানান।
তিনি গত ০১মে শুক্রবার পবিত্র মেরাজুন্নবী (দঃ) উপলক্ষে মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ ৬নং বড়ঠাকুরপাড়া শাখার উদ্যোগে সংগঠনের বড়ঠাকুর পাড়া শাখা কার্যালয়ের পূর্ব পাশর্^স্থ ময়দানে আয়োজিত এশায়াত মাহফিলে উপস্থিত হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলমানের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।
কক্সবাজার সদরের এ.এস.পি (অবঃ) আলহাজ¦ আবুল ফজল এর সভাপতিত্বে মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মুহাম্মদ তসলিম উদ্দিন, অধ্যাপক মুহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, অধ্যাপক মুহাম্মদ অলি আহাদ, আলহাজ¦ রমজান আলী, আলহাজ¦ ফরিদ আহমদ চৌধুরী, আলহাজ¦ আমিনুল হক, মোহাম্মদ হোসেন মাহমুদ, । এতে অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন কাগতিয়া এশাতুল উলুম কামিল এম. এ. মাদরাসার উপাধ্যাক্ষ আল্লামা মুহাম্মদ বদিউল আলম আহমদী, মুহাদ্দিস আল্লামা মুহাম্মদ আশেকুর রহমান, আল্লামা মুহাম্মদ এমদাদুল হক মুনিরী, মাওলানা মুহাম্মদ সেকান্দার আালী, মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুর রহমান প্রমুখ। মিলাদ ও কিয়াম শেষে হুজুর ক্বেবলা দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি এবং দরবারের প্রতিষ্ঠাতা গাউছুল আজমের দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন ।