মেধাবীদের হাতে রাজনীতিকে তুলে দিতে না পারলে সুস্থ রাজনীতির রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটবে

প্রকাশ:| শনিবার, ২৬ জুলাই , ২০১৪ সময় ০৭:৩০ অপরাহ্ণ

‘প্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ছাত্র রাজনীতির ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা

মেধাবীদের হাতে রাজনীতিকে তুলে দিতে না পারলেবাংলাদেশ ছাত্রলীগ তৃণমূল কর্মীবৃন্দ, চট্টগ্রাম আয়োজিত ‘প্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ছাত্র রাজনীতির ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের হাত থেকে রাজনীতিকে মুক্ত করে মেধাবীদের হাতে ছেড়ে দিতে হবে। মেধাবীদের হাতে রাজনীতিকে তুলে দিতে না পারলে সুস্থ রাজনীতির রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটবে। এ মৃত্যু ঠেকাতে মেধাবী তরুণদের রাজনীতির দীক্ষা নিয়ে মাঠে নামতে হবে।
বক্তারা আরো বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ লালন করে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের মধ্য দিয়ে মুজিব সৈনিক হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। অন্যায়, অবিচার ও জুলুম নির্যাতনের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগকে শক্তিশালী ভূমিকায় অবর্তীণ হতে হবে। ছাত্রলীগকে ছাত্রদের দাবি-দাওয়া আদায়ের পক্ষে কঠিন ভূমিকা পালন করার পাশাপাশি তথাকথিত নেতাদের বুলেট হিসেবে ব্যবহারের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
ছাত্রনেতা মঈদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও নিখিলেশ সরকার রাজের সঞ্চালনায় গতকাল নগরীর মোমিন রোডস্থ ইসলামাবাদি মেমোরিয়াল হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দৈনিক বীর চট্টগ্রাম মঞ্চের সম্পাদক সৈয়দ উমর ফারুক। প্রধান বক্তা ছিলেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালি। বিশেষ অতিথি ছিলেন তরুণ আওয়ামী লীগ ও জেলা নির্মূল কমিটি নেতা, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন সোহেল, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা জাহেদুর রহমান সোহেল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তৃণমূল কর্মী সংগঠক ও জেলা নির্মূল কমিটি নেতা মাউসুফ উদ্দিন মাসুম।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রবিউল ইসলাম সোহেল, নাজমুল আজিম, ছাত্রনেতা অভি চৌধুরী, মিথুন নাথ রনি, অসিত বরণ বিশ্বাস, মিথুন ভট্টাচার্য্য, আকর দে পিনাক, ওয়াহিদুল হক বাপ্পা, কুতুব উদ্দিন, নাজমুল হক নিশাত, শেখ সাদিকুল হাদি, শরীফুল ইসলাম নয়ন, কামাল উদ্দিন চোহানী, রাসেল দে, বেলাল নূরী, রিফাতুর রহমান, রেজাউল আলম লিংকন, দীপু বড়–য়া, বাবলু আচার্য্য শ্রাবণ, অনিমেশ দাশ অনিক, মঈনুদ্দীন আহমেদ চিশতী, এস.এম সৌরভ, অপু ধর, নন্দন দেবনাথ, মঈনুদ্দিন তাফিম, আজহারুল হক রানা, বিরাজ সরকার, পূর্ণেন্দু, মো. মিটু, অনিক দাশ, আল আমীন মীর, ঈসমাইল হোসেন, হৃদয়, দীপ্ত, নোবেল, আকবর প্রমুখ।
প্রধান অতিথি সৈয়দ উমর ফারুক বলেন, মেধাবী এবং যোগ্য রাজনীতিবিদদের হাতে রাজনীতিকে তুলে দিতে না পারলে জাতির জনকের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে না, জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ কায়েম করাও অসম্ভব হয়ে পড়বে।
তিনি বলেন, ছাত্রলীগকে একটি কায়েমি স্বার্থবাদী চক্র বিভিন্নভাবে অপব্যবহারের চেষ্টা করছে। তা থেকে তরুণ নেতৃত্বকে বেড়িয়ে এসে সত্যিকার ছাত্র রাজনীতিতে মনোনিবেশ করতে হবে।
প্রধান বক্তা লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালি বলেন, চাপিয়ে দেয়া নেতৃত্ব রাজনীতিতে ভালো কিছু বয়ে আনে না। মেধাহীনদের রাজত্ব মানেই ইফতারিতে মারামারি, শপিং মলে মারামারি সর্বোপরি চাঁদাবাজি এবং টেন্ডারবাজিতে নিজেদের অভিসিক্ত করা। সেই নিদারুণ দুঃসময়ে যখন মেধাবী তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হতে দেখি আশা জাগে মনে। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তৃণমূল কর্মীবৃন্দকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।