মৃত গৃহবধুকে হাসপাতালে রেখে পালালেন স্বামী

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি , ২০১৮ সময় ১০:৪৭ অপরাহ্ণ

পেকুয়া প্রতিনিধি
টইটং ইউনিয়নের ধনিয়াকাটা এলাকার কবির আহমদের মেয়ে কুলসুমা বেগম (২৪)। বিগত ৪ বছর আগে বিয়ে হয় মগনামা ইউনিয়নের পূর্ব এবাইদুল্লাহ পাড়ার মো: ইসমাঈলের সাথে। তাদের সংসারে রয়েছে আড়াই বছর বয়সি বুলবুলি আকতার ও সাত মাস বয়সি নাঈম নামের দুই সন্তান।

এ গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে স্বামীর বাড়িতে। মৃত্যু পরবর্তি পেকুয়া নুর হাসপাতালের ডা.হারুণুর রশিদের চেম্বারে নিয়ে আসেন স্বামী মো: ইসমাঈল ও শ^াশুরী ফাতেমা বেগমসহ অপর দুই আত্বীয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক গৃহহবধুকে মৃত ঘোষণা করার সাথে সাথেই হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান স্বামী, শ^াশুরী ও অপর দুই আত্বীয়।

মৃত্যুর খবর গৃহবধুর পিত্রালয়ে পৌঁছালে ভাই মো: রাশেদসহ আরো কয়েকজন নিকট আত্বীয় চিকিৎসকের চেম্বারে আসেন। দ্রুত পেকুয়া থানা পুলিশ পরিদর্শককে মৃত্যুর খবরটি দেন গৃহবধুর পিতার পরিবার। সন্ধ্যায় পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। মৃত গৃহবধুর ভাই মো: রাশেদ রহস্যজনক মৃত্যুকে পরিকল্পিত হত্যাকান্ড বলে দাবী করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে আমার বোনকে যৌতক দাবীতে স্বামী ও তার পরিবার নির্যাতন করে আসছিলেন। এ নিয়ে কয়েকবার স্থানীয়ভাবে শালিষও হয়েছে। টাকাও দেওয়া হয়েছে কয়েকবার। এরপরও স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন বোনকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। শ^াশুরী মৃত বোনকে হাসপাতালে দিয়ে পালিয়ে যায়। স্বামী ও তার ভাইয়েরা বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে। আমি প্রশাসনের কাছে এ হত্যাকান্ডের জড়িত সকলকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবী জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পেকুয়া থানার পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম খান বলেন, গৃহবধূ কুলসুমা বেগমের লাশটি হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে কিভাবে তার মৃত্যু হয়েছে।


আরোও সংবাদ