মুহিত ও মহসিনকে মন্ত্রিসভা থেকে বহিষ্কারের দাবি-হেফাজতের

প্রকাশ:| সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি , ২০১৫ সময় ১১:৫৫ অপরাহ্ণ

ইসলামি ব্যাংকিং একান্তই একটি ফ্রড বা প্রতারণা। ভুলের উপর নির্ভর করে ইসলামী ব্যাংকিং হচ্ছে। রোববার জাতীয় সংসদে দেয়া অর্থমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ ও কঠোর নিন্দা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত ও হিজাব নিয়ে মন্তব্য করায় সমাজকল্যান মন্ত্রী মহসিন আলীকে মন্ত্রিসভা থেকে বহিষ্কারের দাবি করেছেন হেফাজতে ইসলামের আমি আল্লামা শাহ আহমদ শফী।

সোমবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ দাবি করেন।

হেফাজত আমীর বলেন, ‘ধর্মনিরপেক্ষ নীতির আড়ালে মূলতঃ নাস্তিব্যবাদের প্রসার ঘটানো হচ্ছে। পবিত্র কুরআনের সূরা বাক্বারার ২৭৫ নং আয়াতে আল্লাহ তাআলা সুদ সম্পর্কে বলেছেন, “যারা সূদ খায়, তারা ক্বিয়ামতে দন্ডায়মান হবে, যেভাবে দন্ডায়মান হয় ঐ ব্যক্তি, যাকে শয়তান আসর করে মোহাবিষ্ট করে দেয়। তাদের এ অবস্থার কারণ এই যে, তারা বলেছে, ক্রয়-বিক্রয়ও তো সুদ নেয়ারই মত। অথচ আল্লাহ তাআলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সূদ হারাম করেছেন। …আরা যারা সুদ নেয়, তারাই দোযখে যাবে। তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবে”। এর পরের আরো বেশ কয়েকটি আয়াতে সুদের অপকারিতা ও নিষিদ্ধতা সম্পর্কে কুরআনে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।’

হেফাজত আমির বলেন, ‘বর্তমান অর্থমন্ত্রী এর আগে ঘুষ ও দুর্নীতির সপক্ষে সাফাই গেয়ে বক্তব্য দিয়ে ইসলাম অবমাননা ও অনৈতিকতার পক্ষ নিয়ে জনমনে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি করেছিলেন। একের পর এক ইসলাম ও নৈতিকতার বিরুদ্ধে তিনি বক্তব্য দিয়ে যাবেন, এটা মেনে নেয়ার আর কোনই সুযোগ নেই।’

হেফাজত আমির সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতকে মন্ত্রিসভা থেকে বহিষ্কার ও কঠোর শাস্তি দাবি করে বলেন, ‘হিজাব, বোরকা, সুদ-ঘুষ ও দুর্নীতি নিয়ে ইসলাম বিদ্বেষী বক্তব্য দেয়ার অপরাধে এদের বিরুদ্ধে সরকারকে অনতিবিলম্বে কঠোর শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় তৌহিদী জনতার ক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠলে এর দায়দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।’