মুসলিম উম্মাহ’র শান্তি কামনায় আখেরি মোনাজাত

প্রকাশ:| রবিবার, ১০ জানুয়ারি , ২০১৬ সময় ১০:৪৮ অপরাহ্ণ

মুসলিম উম্মাহ’র শান্তি কামনার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ৫১তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। সকাল ১১টা ১০ মিনিটে ইজতেমার আখেরি মোনাজাত শুরু হয়। ভারতের শীর্ষস্থানীয় মুরুব্বি মাওলানা সা’দ মোনাজাত পরিচালনা করেন। এর আগে তিনি হেদয়াতি বয়ান করেন। আরবি ও উর্দু ভাষায় মোনাজাত করেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে হাত তুলেন লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। মোনাজাতে আত্মশুদ্ধি ও নিজ নিজ গুনাহ মাফের পাশাপাশি দুনিয়ার সব বিপদ-মুসিবত থেকে হেফাজত করার জন্য দুই হাত তুলে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে রহমত প্রার্থনা করেন তারা। এ সময় ‘আমিন, আল্লাহুম্মা আমিন’ ধ্বনিতে তুরাগ তীর মুখরিত করে দয়াময় আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি লাভের আশায় আকুতি জানান মুসল্লিরা।

 টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের শেষ দিনে মোনাজাতে অংশ নিলো অসংখ্য মুসল্লি ।

তুরাগ তীরে তিনদিনের ইজতেমার শেষ দিনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ মোনাজাত, যা আখেরি মোনাজাত নামে পরিচিত।

এ মোনাজাতের মাধ্যমেই শেষ হলো ইজতেমার প্রথম পর্বের আনুষ্ঠানিকতা।

শুরু থেকেই ইজতেমায় অংশ নেয়া দেশ-বিদেশের লাখ লাখ মুসল্লির বাইরেও আজ শুধু মোনাজাতে অংশ নিতে সেখানে উপস্থিত হয়েছেন বিপুল সংখ্যক মুসল্লি।

ভোরে ফজরের নামাজের পর থেকে ঢাকা ও আশপাশের এলাকাগুলো থেকে ইজতেমার দিকে রওনা হতে থাকে মুসল্লিরা।

বিশ্ব ইজতেমা

স্থানীয় প্রশাসন মোনাজাতকে কেন্দ্র করে আলাদা প্রস্তুতি নিয়েছে।

নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে অনেকগুলো রুটের বাস চলাচল। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ইজতেমা প্রাঙ্গণের আশপাশের সড়কগুলো।

র‍্যাব ও পুলিশসহ নিরাপত্তাবাহিনীগুলোর প্রায় দশ হাজার সদস্য ইজতেমায় নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে।

বাংলাদেশের এ ইজতেমাকে হজের পর মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জমায়েত বলে মনে করা হয়।

দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা পনেরই জানুয়ারী শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

ব্যাপক সংখ্যক মুসল্লির অংশগ্রহণের কারণে গত কয়েকবছর ধরে ইজতেমাটি দু পর্বে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।


আরোও সংবাদ