মুজিব নগর সরকার ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছিল

প্রকাশ:| রবিবার, ১৬ এপ্রিল , ২০১৭ সময় ১০:৩১ অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের শোক সভায় বক্তারা
চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের উদ্যোগে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস স্মরণে এক আলোচনা গত ১৬ এপ্রিল রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় কদম মোবারক মসজিদ মার্কেটস্থ ডিজিটাল বাংলাদেশ পাবলিসিটি কাউন্সিল মিলনায়তনে সংগঠনের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ গবেষক অধ্যাপক ড. জিনবোধী ভিক্ষুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ নেতা, সাবেক ছাত্রনেতা সুমন দেবনাথ। চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইকবালের পরিচালনায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাট্যজন ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সজল চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মুক্তিযোদ্ধা কবি জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, এডিশনাল পিপি এড. সাইফুন্নাহার খালেক, মুক্তিযোদ্ধা এস.এম লেয়াকত হোসেন, শ্রমিক নেতা আব্দুস সবুর খান, সাবেক ছাত্রনেতা চন্দন পালিত, সাংবাদিক স.ম জিয়াউর রহমান, প্রকৌশলী টি.কে সিকদার, সমাজকর্মী ডা. জামাল উদ্দিন, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট বোয়ালখালী উপজেলা সভাপতি সুভাষ চৌধুরী টাংকু, কবি সজল দাশ, দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সালাউদ্দিন লিটন, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রভাষক সুমন দত্ত, সাইফুল ইসলাম, সুমন চৌধুরী, মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, শাখাওয়াত হোসেন প্রমুখ। সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন বেগবান করার জন্য মুজিব নগর সরকারের ভূমিকা অপরিসিম। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবর্তমানে জাতীয় চারনেতা শহীদ তাজ উদ্দিন, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এইচ. এম কামরুজ্জামান, ক্যাপ্টেন মনসুর আলীর সুযোগ্য নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিব নগর সরকার গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য যে সাংগঠনিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেছিল যার ফলশ্রুতিতে আমরা আমাদের কাংখিত স্বাধীনতা লাভ করেছি। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা এবং বাংলাদেশ এর এগিয়ে যাওয়ার ইতিহাসে মুজিবনগর সরকারের ভূমিকা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। সভার সভাপতি অধ্যাপক ড. জিনবোধী ভিক্ষু বলেন, এদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার ইতিহাসে মুজিব নগর সরকার এক অনন্য দলিল হিসেবে যুগ যুগ ধরে বাঙালী জাতিকে প্রেরণা যোগাবে। জাতির নেতৃত্বদানের ইতিহাসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক কালজয়ী নাম। আর বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের পরম বিশ্বস্ত এবং কান্ডারী হিসেবে জাতীয় চারনেতার ভূমিকা অপরিসিম। তিনি বলেন, জঙ্গীবাদ মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে বর্তমান প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে হবে এবং দেশপ্রেমের শিক্ষা নিয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে। সভায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা সহ সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত করা হয়।