মুক্তি চাই-ফাঁসি চাই

প্রকাশ:| শনিবার, ২ জানুয়ারি , ২০১৬ সময় ০৮:৫৪ অপরাহ্ণ

ফাঁসি চাই
পেকুয়া প্রতিনিধি
নিঃশর্ত মুক্তি চাই-দিতে হবে, ফাঁসি চাই-দিতে হবে। প্রচারে, পেকুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অংঙ্গ সহযোগি সংগঠন। পেকুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ন-সম্পাদক টইটং ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মো: শহিদুল্লাহর আটক নিয়ে এক সংগঠনের ব্যানারে দু’রকমের পোষ্টার শোভা পাচ্ছে পেকুয়া উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকাসহ পুরো কক্সবাজার জেলায়। এ নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগসহ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির মাঝে দেখা দিয়েছে বিরুপ মন্তব্য।

জানা গেছে, বিগত কিছু দিন আগে পেকুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ন-সম্পাদক টইটং ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মো: শহিদুল্লাহ একটি মামলায় পুলিশের হাতে আটক হয়ে মহামান্য আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে রয়েছে। গোয়েন্দা বিভাগ (সিআইডি)এরই মাঝে তাকে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আ.ক.ম শাহাবউদ্দিন ফরায়েজী হত্যা মামলায় আটক দেখিয়ে ২ দিনের রিমান্ড শেষ করে।

এদিকে গত ডিসেম্বরের শেষ পর্যায়ে তার আটকটি ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা দাবী করে প্রত্যাহার পূর্বক অবিলম্বে ‘নিঃশর্ত মুক্তি চাই- দিতে হবে’ বলে ছবিসহ একটি পোষ্টার বিলি করে পেকুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ, অঙ্গ সহযোগি সংগঠন। ঠিক এর দু’দিন পর আ.ক.ম সাহাবউদ্দিন ফরায়েজী হত্যা, ইউনুছ হত্যাসহ আরো কয়েকটি ঘটনায় জড়িত আছে দাবী করে ‘খুনি শহিদুল্লাহ ও তার সহযোগিদের ফাঁসি চাই দিতে হবে’ বলে আরেকটি পোষ্টার বের করে পেকুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সহযোগি সংগঠন এর ব্যানারে।

পেকুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম এ বিষয়ে জানান, এ রকম দুটি পোষ্টার পেকুয়া উপজেলা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সহযোগি সংগঠন থেকে বের করা হয়নি। আমরা তা প্রত্যাখান করছি এবং এ বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী আওয়ামীলীগ নেতা শহিদুল্লাহ চেয়ারম্যান এর মুক্তি চাই পোষ্টারটি তাদের পক্ষ থেকে বের করার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ঘাতকের হাতে নির্মমভাবে নিহত সাহাবউদ্দিন ফরায়েজীর মূল হত্যাকারীদের আড়াল করতে ও বিএনপি-জামায়াতের ইন্ধনে একটি চক্র তাকে জড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। বিশেষ করে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে তার কাছে হেরে যাওয়ার ভয়ে একটি চক্র চক্রান্ত করে যাচ্ছে।