মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক চেয়ারম্যানের মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণায়োজন ১৪ জানুয়ারি

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারি , ২০১৭ সময় ১১:৫৭ অপরাহ্ণ

 
রাউজানের কীর্তিমান পুরুষ, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, বুদ্ধিজীবী, আওয়ামী লীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.কে ফজলুল হক চেয়ারম্যান-এর ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা এ.কে ফজলুল হক চেয়ারম্যান মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপ-কমিটির উদ্যোগে আগামী ১৪ জানুয়ারি, শনিবার, সকাল ১১টায় নগরীর কাতালগঞ্জস্থ রিডার্স স্কুল এন্ড কলেজ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
স্মরণায়োজনে প্রধান অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জননেতা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি। মুখ্য আলোচক থাকবেন সংসদ সদস্য জননেতা মঈনুদ্দীন খান বাদল। বিশেষ অতিথি থাকবেন সাবিহা মুসা এমপি ও ওয়াসিকা এ. খান এমপি। প্রধান আলোচক থাকবেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জননেতা আবদুস সালাম। পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করবেন উত্তর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এস.এম রাশেদুল আলম।
জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মরণায়োজনে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকলকে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন কমিটির আহ্বায়ক ও রাউজান থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মদ আবু জাফর চৌধুরী এবং সদস্য সচিব ও রিডার্স স্কুল এন্ড কলেজ চেয়ারম্যান মঈনুদ্দীন কাদের লাভলু, মরহুমের সুযোগ্য সন্তান লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালি।
উল্লেখ্য, গত ৭ জানুয়ারি ২০১৭ ছিলো তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী। মরহুম এ.কে ফজলুল হক ১৯৩২ সালের ১৭ জুলাই রাউজানের এক সম্ভ্রান্ত ও বনেদি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। রাউজান থানায় শিক্ষা বিস্তারে অনন্য ভূমিকা পালনকারী ‘বড় মাস্টার’ খ্যাত আধ্যাত্মিক পুরুষ হযরত আলহাজ ওচমান আলী মাস্টার (রহ.) এর সুযোগ্য প্রথম পুত্র জনাব হক ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগ আন্দোলন, ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬৮ সালে শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালে সাধারণ নির্বাচন ও ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাউজান থানা গঠনকল্পেও তাঁর অনন্য অবদান ছিল। রাউজান থানা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম এবং আমৃত্যু অসাম্প্রদায়িক ও দুর্বার সাহসী ফজলুল হক ১১নং পশ্চিম গুজরা ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দীর্ঘদিন অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন এবং তিনি রাউজান চেয়ারম্যান সমিতিরও সভাপতি ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন তিনি একই ইউনিয়নের মুজিব বাহিনী প্রধান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। রাউজানে সমবায় আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা জনাব হক গহিরা শান্তির দ্বীপ কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতিরও দীর্ঘ সময় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।


আরোও সংবাদ