মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়েই দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবো

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল , ২০১৪ সময় ১১:৪২ অপরাহ্ণ

মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়েই দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবোবিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়েই আমরা দেশ রক্ষায় আবার আন্দোলনে নামবো।’

বৃহস্পতিবার রাতে গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে মতবিনিময় করে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল। মতবিনিময় সভায় মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশে এ কথা বলেন খালেদা জিয়া।

বৈঠক সূত্র জানায়, সভায় খালেদা জিয়া মুক্তিযোদ্ধা দলের উদ্দেশে বলেছেন, আমি আগে বলেছিলাম, কেউ যদি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আমার সঙ্গে না থাকে, আমি একাই আন্দোলন করবো। আমি এখন বিশ্বাস করি এই আন্দোলনে রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধারাও আমার সঙ্গে আছেন। রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়েই আমরা আবার আন্দোলনে নামবো। এসময় মুক্তিযোদ্ধারাও আন্দোলনে খালেদা জিয়ার সঙ্গে থাকার অঙ্গীকার করনে।

খালেদা জিয়া বলেন, ‘আপনাদেরকে কাজ দিয়ে প্রমাণ করতে হবে, সংগঠনকে আরো শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের দল। আপনারা মুক্তিযুদ্ধ করেছেন দেশের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য, সামাজিক বৈষম্য দূর করার জন্য অথচ দেশ আজ শৃঙ্খলিত। দেশের মানুষকে মুক্ত করতে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

খালেদা জিয়া আরো বলেন, ‘আপনার প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা। যারা (আওয়ামী লীগ) মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বলে দাবি করে তারা তো পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নিয়েছিল। শহীদ জিয়াউর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে এ দেশের মানুষ দেশ স্বাধীন করেছে।’ তাই মুক্তিযোদ্ধাদের দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে আবারো কাজ করার আহ্বান জানান খালেদা জিয়া।

এসময় খালেদা জিয়ার কাছে বিএনপির সমাবেশে মুক্তিযোদ্ধাদেরকে আলাদা স্থান দেয়ার দাবি জানায় সংগঠনটি।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর, কল্যাণপার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত ইব্রাহিম, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবদুস সালাম, ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, মুক্তিযোদ্ধা শাহ আবু জাফর আহমেদ প্রমুখ।

এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের নেতৃত্বে শফীউজ্জামান খোকন, সাদেক আহমেদ খান, সৈয়দ হারুনুর রশীদ, মিজানুর রহমান খান বীর প্রতীক, মোস্তফা শাহাবুদ্দীন রেজা, আবুল হোসেন, মহিউদ্দিন আহমেদ শাজাহানসহ ৬০ জন মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন।