মুক্তিযুদ্ধের সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষ ভালো থাকে

প্রকাশ:| সোমবার, ৯ নভেম্বর , ২০১৫ সময় ০৯:১৪ অপরাহ্ণ

মেজবাহ বর্তমান সরকার

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মেজবাহ উদ্দিন বলেছেন, সাধারণ মানুষকে তাদের অভাব মুর্চনার জন্য তাঁর দপ্তরে দেখা করার অবাধ সুযোগ করে দিয়েছেন। অভাব-অভিযোগ শুনাতে পারলেই মানুষ উপকার না পেলেও মনে শান্তি পায়। এ বিষয়টিকে অনুধাবন করে এ ব্যবস্থা তিনি নিয়েছেন। তিনি বলেন, বিএনপি শাসন আমলে তাকে মামলা দেয়া হয়েছে, পৌরসভায় প্রধান নির্বাহী পদে চাকুরী করতে বাধ্য করা হয়েছে। তারা লোকজন বলেই উদার নয়। তাদের শাসন আমলে তাকে মিথ্যা মামলায় চার্জশীটভুক্ত করে অসম্মান করার চেষ্টা করা হয়েছে। যা কোনভাবেই পুলিশ প্রশাসনের করা উচিত ছিল না। তাঁর বাবা আলেম এবং ইমাম ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধাদের নামাজ পড়াতেন। তিনি সে ধারাবাহিকতায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। একইভাবে আইনজীবীরাও তাদের পেশার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের উপকার করে থাকেন। উপকারভোগীরা মানুষকে দোয়া করে বিধায় মামলায় কাউকে হয়রানি না করার অনুরোধ জানান। মানবিক এবং ভাল কাজগুলোতে পরিতৃপ্তি আছে। আল্লাহও এসব কাজের জন্য প্রতিদান দিয়ে থাকেন। সরকারি কৌশলীদের দাবীরে প্রেক্ষিতে তিনি সম্মানী ভাতা বাড়ানোর ব্যাপারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের বরাবরে সময়মত জানানোর আশ্বাস দেন। সারা বাংলাদেশে আইনজীবীদের মধ্যে আ’লীগের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সুতরাং প্রতিটি বারের নির্বাচনে আ’লীগ পন্থীরা জয়ী হওয়ার কথা। কিন্তু অন্তঃকোন্দল ও আইনজীবীদের গ্রুপিং এর কারণে বিভিন্ন জায়গায় আ’লীগের প্যানেল নির্বাচিত হয় না। তিনি বলেন, আইনজীবী সমিতি শক্তিশালী থাকলে এবং সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে আওয়ামী আইনজীবীরা নির্বাচিত হলে সরকারও শক্তিশালী থাকে। এ বিষয়টিকে মাথায় রেখে আইনজীবীদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আইনীজীবদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকারকে সহযোগিতা করা উচিত। মুক্তিযুদ্ধের সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষ ভালো থাকে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মেজবাহ উদ্দিন চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত হওয়ায় চট্টগ্রাম জেলা পাবলিক প্রসিকিউটরের কার্যালয় থেকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। ৯ নভেম্বর বিকালে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সংবর্ধনা সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রামের জেলা পিপি এড. আবুল হাশেম। বক্তব্য রাখেন সংবর্ধিত অতিথি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন। অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন এডি. পিপি যথাক্রমে এড. চন্দন বিশ্বাস, এড. শওকত হোসেন, এড. জহির উদ্দিন, এড. সামশুদ্দিন ছিদ্দিকী টিপু, এড. মো. ওসমান, এড. নাছির উদ্দিন, এড. মো. আহসান উল্লাহ, এড. মো. দেলোয়ার হোসেন, এড. ভুপাল কান্তি দে, এড. মো. লোকমান, এড. মিলি চৌধুরী, এড. মো. শফি, এড. আফরিন সুলতানা, এপিপি যথাক্রমে এড. মনোরঞ্জন দাশ, এড. মনজুর আলম, এড. রিংকু দাশ, এড. মো. মনজুর আলম চৌধুরী, এড. মো. আরিফুজ্জামান, এড. নজরুল ইসলাম প্রমুখ।