মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র ও চলচিত্র প্রদর্শনী শুরু

প্রকাশ:| শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর , ২০১৫ সময় ১১:৩৫ অপরাহ্ণ

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মুজিব সৈনিকের উদ্যোগে মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র ও চলচিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। শুক্রবার নগরীর কাপ্তায় রাস্তার মোড় চত্বরে এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মুজিব সৈনিকের প্রধান উপদেষ্টা মাঈন উদ্দিন খান বাদল এমপি।

তিনি বলেন, দেশপ্রেমে উজ্জীবিত ছিলাম বলেই বঙ্গবন্ধুর ডাকে জীবনের মায়া ভুলে আমরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোনো নির্দিষ্ট দল বা চেতনার উৎস নয়। মুজিব ছিলেন জনগণের প্রাণের নেতা। জনগণের মাঝেই জনতার মুজিবকে ছড়িয়ে দিতে পারলেই কেবল এ দেশ, এ মাটি, এ জনপদে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলাদেশ গড়তে পারবো।

তিনি বলেন, আমি মঈন উদ্দিন খান বাদল, এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, মৌলভী সৈয়দ’রা রাজনৈতিক জীবনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছি। একটি কথা বিপ্লবী রাজনীতিতে প্রচলিত আছে যেখানে প্রত্যেক প্রজন্মকে রক্ত দিয়ে তার দেশের সার্বভৌমত্ব, পতাকা এবং ইতিহাস রক্ষার কথা বলা আছে। আমি আজ আনন্দিত, আবেগআপ্লুত। ব্যারিস্টার নওফলের মতো উচ্চশিক্ষিত, মার্জিত এবং সৃষ্টিশীল তরুণদের মঞ্চে দেখতে পেয়ে। নওফলদের প্রজন্ম জাতির জনকের চেতনা আর শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বির্নিমাণে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের উদ্বোধক চৌধুরী মহিবুল হাসান নওফেল বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাজনীতিক জীবনে তত্ত্ব-ভিত্তিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন না। তিনি দেশের প্রতিটি প্রান্তরে স্বাধীনতা অর্জনের চেতনায় উজ্জীবিত তরুণদের মাঝ থেকে নেতৃত্ব গড়ে তুলেছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে তার ডাকে সারা বাংলার জনগণ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। আজ সময় এসেছে স্বাধীনতার ৪৪ বছর পরও যারা মুক্তিযুদ্ধকে গৃহযুদ্ধের প্রচারে ব্যস্ত তাদের চিহ্নিত করার। যারা ত্রিশ লাখ শহীদদের আজ অস্বীকার করছে তাদের চিহ্নিত করা ও জবাব দেওয়া এখন সময়ের দাবি।

বিশেষ অতিথি ছিলেন নগর ছাত্রলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক আরশেদুল আলম বাচ্চু। মুজিব সৈনিকের আহ্বায়ক আশফাক হোসেন খানের সভাপতিত্বে ও তরিকুল ইসলাম তানিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুজিব সৈনিকের যুগ্ম আহ্বায়ক অমিত চৌধুরী, মো. আসাদুজ্জামান, সচিব হারুনুর রশীদ রাজেশ, সদস্য নেওয়াজ মাহবুব সাঞ্জু, শেখ ইয়াছিম ইফাত, রাজিব পাল, নবিউল আলম জামশেদ, সাজ্জাদ আলম, মো. হাসান আসিফ, ইভনুল ইভান, ফোরকান উদ্দিন সরকার, ওমরগণি এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগ নেতা আরশেদুল আলম রিগান, ফয়সাল, রুবেল সরকার, মো. নূরুন নবী শাহেদ, নয়ন উদ্দীন, আবু সাঈদ মুন্না, সালাউদ্দীন কাদের আরজু, সাকিল খান, নিসান, মুরাদ হোসোন বাপ্পী, মোহরা ৫নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেন, বদরুদ্দোজা, সোহেল তালুকদার, সাকাওয়াত হোসেন, শাহাদাত হোসেন, জসিম উদ্দিন, মো. শামীম, রাসেল ইসলাম, ইসমাইল সুমন, মো. আজাদ, আরাফাত হোসেন, আজিজুর রহমান, রাকিব হাসান, ওয়াহিদ মুরাদ, ওমর শরীফ রকি প্রমুখ।